স্বনির্ভরতায় প্রাণী
সম্পদ
|
বহু বেকার যুবক গো-পালন, হাঁস-মুরগি বা শূকর পালন করে আত্মনির্ভর হয়েছেন
বা হচ্ছেন৷ আপনি যদি এ ব্যাপারে আগ্রহী হন, তবে কীভাবে অগ্রসর
হবেন? |
-
প্রথমেই আপনাকে ভেবে নিতে হবে, আপনি কী করতে চান, কোথায়, কীভাবে এবং কী
উদ্দেশ্যে৷
এ ব্যাপারে স্থানীয় সফল খামারিদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন৷ |
-
সিদ্ধান্ত নিতে হলে স্থানীয় ব্লক প্রাণীসম্পদ বিকাশ
আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন৷
এ ব্যাপারে আধিকারিক আপনাকে সহায়তা করবেন৷ |
-
আপনি যদি দারিদ্রসীমার নিচে থাকা পরিবারভুক্ত হন এবং খামার স্থাপনের
মূলধন যদি ঋণনির্ভর হয় এবং আপনি যদি পৌর এলাকা-বহির্ভূত পঞ্চায়েত এলাকার
অধিবাসী হন, তবে (১) বিশেষ প্রাণীপালন প্রকল্প, (২) সার্বিক গ্রামোন্নয়ন
প্রকল্প, অথবা (৩) তফসিলি জাতি ও উপজাতি উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে৷
অনুদান, প্রান্তিক ঋণ এবং ব্যাংক ঋণ সহযোগে এই সমস্ত প্রকল্প রূপায়িত হয়ে
থাকে৷
এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য
পঞ্চায়েত সমিতি এবং ব্লক প্রাণীসম্পদ বিকাশ আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত
বিবরণ জানতে পারবেন৷ |
-
পৌর এলাকার জন্য বিশেষ স্বনিযুক্তি প্রকল্প রয়েছে৷ এ
ব্যাপারে জেলা শিল্পকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷
তারাই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবে৷
|
-
এরপর প্রকল্প অনুসারে দরখাস্ত পূরণ করে আপনার পরিকল্পিত স্কিম তৈরি
করতে হবে৷
স্থানীয় ব্লক প্রাণীসম্পদ বিকাশ আধিকারিক এ ব্যাপারে আপনাকে
সাহায্য করবেন৷
মনে রাখবেন, সমস্ত প্রকল্প রূপায়নের আগে আপনাকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে৷
স্থানীয় বিভাগীয় আধিকারিকগণ এ ব্যাপারে সাহায্য করবেন৷
|
-
আপনি যদি কোনও প্রকল্পের মধ্যে না গিয়ে স্বাধীনভাবে গো-খামার, শূকর
খামার, ছাগল খামার বা মুরগি খামার সরাসরি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় করতে
চান, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার উপ-অধিকর্তা, প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও পরিষদ
আধিকারিক আপনাকে আপনার প্রকল্পের খসড়া, প্রশিক্ষণ ও সরকারিভাবে প্রকল্প
অনুমোদনের ব্যাপারে সাহায্য করবেন৷
|
-
বিশদ অনুসন্ধানের জন্য জেলা দপ্তরগুলি ছাড়াও নব মহাকরণ ও মহাকরণস্থিত
প্রাণীসম্পদ ও প্রাণীস্বাস্থ্য কৃত্যকের কেন্দ্রীয় দপ্তরে যোগাযোগ
করতে পারেন৷ |
|
|
|
|
|

|