মজুত পুকুরে মাছের নিবিড় মিশ্র চাষ | ||
আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা মাছ চাষের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষা করেছেন এবং আজও করছেন তাঁদের প্রচেষ্টার বিরাম নেই পুকুরে বিভিন্ন খাদ্যস্তর বিন্যাস ভিত্তিক মাছের নিবিড় মিশ্র চাষ করে তারা যুগান্তকারী সাফল্য লাভ করেছেন যেখানে সাধারণ পুকুরে বছরে হেক্টর প্রতি ৬০০ কেজি মাছ উত্পন্ন হত আজ সেই পুকুরে দ্রুত বৃদ্ধিশীল এমন কয়েকটি বাছাই করা মাছ সুষম অনুপাতে চাষ করে এবং তাতে প্রয়োজনীয় সার ও পরিপুরক খাদ্য যুগিয়ে হেক্টর প্রতি ৩০০০ - ৬০০০ কেজি সম্ভব হয়েছে | ||
মাছের নিবিড় মিশ্রচাষে কি কি মাছ লাগ |
সার কেন দিতে হয়? |
পরিপূরক খাদ্য কেন দরকার ? |
এই নিবিড় মিশ্র চাষের পদ্ধতি কি? |
চূণ দেওয়ার কদিন পরে সার দিতে এবং কি পরিমাণে? |
কি হারে পরিপূরক খাদ্য নিতে হয় ? |
পুকুরে মত্স্যভূক মাছ থাকলে কি ক্ষতি হয় ? |
পুকুরে চারা মাছ ছাড়ার পরিমাণ কি ? |
গ্রাস কার্পের জন্য কি খাদ্য দিতে হবে ? |
কিভাবে এবং কত পরিমাণে মহুয়ার খৈল দিতে হবে? এর কোন উপকারিতা আছে কি? |
চারাপোনা মাছ কত বড় মাপের ছাড়তে হয় ? কখন চারা মাছ ছাড়া হয় ? |
কত দিন পর মাছ বিক্রি করা যেতে পারে? |
|
|
রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি দেশীয় মিশ্র চাষ আমাদের দেশে প্রচলিত আছে। এর সাথে উন্নত ধরণের কয়েকটি বিদেশী মাছ মিশিয়ে নিবিড় চাষ করে সুফল পাওয়া গেছে। এদের নাম- সিলভার কার্প, গ্রাস কার্প, এবং সাইপ্রনাস কার্প বা কমন কার্প। সম্ভব হলে সাথে শিঙ্গি, মাগুর, ফলুই, চিংড়ি (গলদা) ইত্যাদির চাষও করা যায়। |
চূণ দেওয়ার ৭-১০ দিন আগে সার প্রয়োগ করতে হবে এবং জৈব সার প্রয়োগের ১৫ দিন পর রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন। বিঘা প্রতি নিম্নলিখিত হারে সার প্রয়োগ করতে হয় :- |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||
|
pH পরিমান |
পরিমান |
৫.৫-৬.৫ |
ক্যালসিয়াম এমোনিয়াম নাইট্রেট |
৬.৫-৭.৫ |
ইউরিয়া |
৭.৫-এর বেশী |
এমোনিয়াম সালফেট |
গ্রাস কার্পের জন্য কি খাদ্য দিতে হবে ? |
গ্রাস কার্প যদি পুকুরে ছাড়া হয়ে থাকে তবে রোজ কিছু কাঁটাঝাঁঝি বা ঝাউঝাঁঝি এবং খুদিপানা বা তেপাতিপানা বা সুজিপানা বা নাকছাবিপানা ওদের খেতে দিতে হবে। পুকুরের একপাশে দড়ির মাচায় জলে এগুলি দিয়ে রাখতে হবে,খাবার ফুরিয়ে গেলে আবার দিতে হবে। মাঝে মাঝে ২ মাস অন্তর জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ভাল। |
কত দিন পর মাছ বিক্রি করা যেতে পারে ? |
|