|
মুক্তাঙ্গন পদ্ধতিতে উন্নতজাতের মুরগি
পালন |
|
|
|
|
|
১০০টি দেশি মুরগি ও ১৫টি মোরগ (আর আই আর) পালনের
প্রকল্প |
| |
বছরের স্থায়ী মূলধন |
১) ১০০টি দেশি মুরগি ও ১৫টি উন্নত জাতের মোরগের (১৬ - ২০ সপ্তাহ বয়সের)
প্রতিটির গড় মূল্য ৫০ টাকা হিসাবে |
৫৭৫০ টাকা |
২) রাত্রিবাসের জন্য গ্রামীন পদ্ধতিতে তৈরি ঘর নির্মানের
খরচ |
১৫০০ টাকা |
৩) খাদ্যের খরচ দৈনিক ২০টাকা করে |
৭৩০০ টাকা |
৪) চিকিত্সা, টিকা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ |
৫০০ টাকা |
|
মোট |
১৫০৫০ টাকা | |
| |
আয় |
১) ১০০টি মুরগি থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রতিটি পাখি থেকে ১৫০টি ডিম
পাওয়া যাবে এবং ডিমের বিক্রয়মূল্য ১.৫০ টাকা হিসাবে মোট আয় |
২২৫০০ টাকা |
২) ১১৮টি পাখি বিক্রি বাবদ (১% মৃত্যুহার ধরে)
এবং প্রতিটি পাখি ৫০ টাকা হিসাবে |
৪৯০০ টাকা |
৩) জৈব সারের মূল্য (আনুমানিক) |
২০০ টাকা |
মোট |
২৭৬০০ টাকা |
| |
|
অতএব ওই প্রকল্প থেকে বছরে মোট লাভ (২৭৬০০-১৫০৫০) টাকা |
১২৫৫০ টাকা | |
| |
কার্যকরী মূলধন |
এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন নেই৷ খামারির
বাড়ির উদ্বৃত্ত ও উচ্ছিষ্ট খাদ্যদ্রব্য, চালের কুঁড়ো, ক্ষুদ্র ও সংলগ্ন
পার্শ্ববর্তী খামার, বাগান ও খালি জমিতে চরে মুরগি ও মোরগগুলি তাদের
প্রয়োজনীয় খাবার সংগ্রহ করবে, সামান্য কিছু খাবার কিনে করে খাওয়াতে হবে৷ |
প্রকল্প বেশি লাভজনক করার জন্য খাবার ডিম হিসাবে বিক্রি না করে বাচ্চা
ফোটানোর জন্য বিক্রি করতে পারলে লাভ দ্বিগুণ হবে৷
পরবর্তী পর্যায়ে এই দেশি মুরগি ও উন্নত জাতের মোরগের সংমিশ্রণে যে সংকর জাতের
মুরগি উত্পন্ন হবে সেই মুরগির ডিম উত্পাদন ক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি ও লাভের
পরিমাণ সেই অনুপাতে বাড়বে৷ |
|

|