জীবাণু সার |
জীবাণুসার একটি জীবাণু ঘটিত সার, যা আপনার জমির স্বাস্থ্য ভাল রাখে ও ১০-৩০ শতাংশ ফলন বাড়ায়। ধান, গম, সরিষা, আখ, পাট, চীনাবাদাম, মুগ,কলাই, অড়হড়, মুসুর, সয়াবিন ও সকল প্রকার গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন সব্জীর চাষের ব্যবহারের সুফল আজ প্রমাণিত। জীবাণুসার রাসায়নিক সারের বিকল্প নয় পরিপূরক মাত্র। |
জীবানুসার কী |
জীবাণুসারের উপকারিতা |
জীবাণুসারের প্রকার |
কোন প্রজাতির জীবাণুসার কোন কোন ফসলে ব্যবহার করবেন |
১) জীবানুসার কী |
|
প্রকৃতিতে বেশকিছু উপকারী জীবাণু আছে, যারা কৃষি কাজে যথেষ্ঠ উপকার করে থাকে। এই জাতীয় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন উপকারী জীবাণুগুলিকে প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে তাদের বংশ বিস্তার ঘটিয়ে সেই জীবাণুগুলিকে উপযুক্ত উপাদানের মাধ্যমে মাটিতে অথবা বীজের সঙ্গে এথবা চারা গাছের শিকড়ের সঙ্গে প্রয়োগ করে শস্যের বৃদ্ধি ও ভাল ফলন পাওয়া যায়। এই সকল উপাদান ও জীবাণুগুলিকে একত্রে জীবাণুসার বলা হয়। |
২) জীবাণুসারের উপকারিতা |
(ক)
গাছকে (প্রতি একর ১০ কেজি) নাইট্রোজেন মৌল সরবরাহ করে ফলন বৃদ্ধি করে।
|
৩) জীবানসার সাধারণত: দুই প্রকারের |
|
১। নাইট্রোজেন সরবরাহকারী
জীবাণুসার, যেমন
-
(ক) রাইজোবিয়াম
জীবাণুসার। |
২। ফসফেট দ্রবীভুত করে এমন
জীবাণুসার, যেমন
-
|
৪) কোন প্রজাতির জীবাণুসার কোন কোন ফসলে ব্যবহার করবেন |
(ক) রাইজোবিয়াম জীবাণুসার
- এই জীবাণুসার শুঁটি জাতীয় ফসল যেমন- মুগ,কলাই, অড়হড়, মুসুর, ছোলা, মটর, চীনাবাদাম, বরবটি,
সয়াবীন প্রভৃতি গাছের শিকড়ে গুটি তৈরী করে এবং তার মধ্যে বাস করে
বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন আহরণ করে উদ্ভিদকে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে। ফসল কাটার
পর ঐ গুটিগুলো মাটির মধ্যে থেকে যায় এবং মাটিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বাড়িয়ে
দেয়। যার ফলে পরবর্তী ফসলে নাইট্রোজেন ঘটিত সারের পরিমাণ কম লাগে। এই জাতীয় জীবাণুসারে বছরে একর প্রতি ২০-৪০ কেজি নাইট্রোজেন যোগ করতে পারে।
|