কমদামী মত্স্যজাত খাদ্যবস্তু
|
কম দামী মাছ ও চিংড়ি
থেকে দামী ব্যবসায়িক পণ্য সামগ্রীর প্রস্তুতি
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
ভূমিকা
|

|
সমুদ্রে জেলেরা যখন মাছ
ধরতে যান তখন তাদের লক্ষ্য থাকে চিংড়ি বা বেশী দামী মাছ ধরবার
দিকে, সেই অনুযায়ী তারা বিভিন্ন ধরণের বিশেষ জাল ব্যবহার করে থাকেন, সেই দামী
মাছ ও চিংড়ি ধরতে গিয়ে অনেক সময় অনেক কমদামী মাছও জালে ধরা পড়ে׀
এইসব কমদামী মাছ, ছোট মাছ সাধারণত সমুদ্রের জলে ফেলে দেওয়া হয়׀
এগুলো জলে দেওয়ার কারণ হিসাবে বলা যেতে পারে বাজারে তাদের কম দাম পাওয়া, আকার
ছোট হওয়া এবং অনেক রকমের মাছের সংমিশ্রন হওয়া জাহাজের ওপারে কোল্ড স্টোরে
জায়গার অভাব হওয়া এবং বেশী চিংড়ি-ধরা ও সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করা׀ এক সংবেদনে দেখা গেছে যে ফেলে দেওয়া মাছের
পরিমাণ বছরে ১৭০-৩৯০ লক্ষ টন যা গড়ে দাঁড়ায় ২৭০ লক্ষ টন׀
|
তটবর্তী এলাকায় অধিকাংশ মাছ
পর্যন্ত পরিমাণে ধরা হচ্ছে এবং কোন কোন মাছ এত বেশী পরিমাণে ধরা হচ্ছে যে
তাদের আমদনি বছরের পর বছর কমে যাচ্ছে׀ এই অবস্থায় জেলেদের দৃষ্টি পড়েছে গভীর জলের মাছের দিকে׀ আগের দিন গুলোতে এই গভীর জলের মাছ অনেক পরিমাণে
ধরা পড়ার সম্ভাবনা, কিন্তু ওই গভীর জলের মাছগুলোর সঙ্গে গ্রাহকরা পরিচিত নয়
তাদের আলাদা আকার, রং এবং স্বাদের জন্য, তাই বাজারে এই সব মাছ এলেও সেগুলো
তত্ক্ষণাত গ্রাহকদের কাছে গ্রহনযোগ্য না হওয়ার সম্ভাবনা׀ তাই বাজারে ওই সব মাছের দাম খুব কম হওয়ার
সম্ভাবনা׀
|
আমাদের ল্যান্ডিং
সেন্টারগুলোর দূরবস্থার জন্য এবং বরফের অভাবে অধিকাংশ মাছের কোয়ালিটি খারাপ
হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়, সময়মত বরফ
প্রয়োগ করে এবং উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই মাছগুলোর কোয়ালিটি ভাল
রাখা যায় এবং পশুখাদ্য হিসাবে ব্যবহার না করে সোজাসুজি মানুষের খাদ্য হিসাবে
ব্যবহার করা যায়׀
|
আজকাল মিঠা জলের মাছ
(Fresh water fish)
চাষ খুব
বেশী হচ্ছে׀ মিঠা জলে
অনেক সময় ছোট মাছ পাওয়া যায় যা দিয়ে নানা রকম দামী ব্যবসায়িক পণ্য বানানো যায়׀ মিঠা জলের বড় মাছ (রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি)
দিয়েও নানা পণ্য বানানো যায়׀
|
উপরে বর্ণিত এই তিন প্রকার
মাছ (সমুদ্রে ধরার পর ফেলে দেওয়া কম দামী মাছ, গভীর সমুদ্রের মাছ এবং মিঠা
জলের মাছ) ব্যবহার করে এবং কমদামী ছোট চিংড়ি ব্যবহার করে দামী ব্যবসায়িক
পণ্য উত্পন্ন করা যায়׀ এই
উত্পাদনে কোন দামী যন্ত্রপাতী লাগে না׀ এইগুলো তৈরীর পদ্ধতি খুব সরল׀ এক সপ্তাহের ট্রেনিং নিয়ে জেলে পরিবারের মহিলারা
এই পণ্য তৈরী করতে পারেন׀ অবশ্য
কোয়ালিটির দিকে কড়া নজর রাখতে হবে׀ বিদেশের বাজারেও ওই সব পণ্যের চাহিদা আছে׀
|

|

|
চিংড়ির আচার
|
চিংড়ির আচার তৈরী করা
হয়েছে׀ পেরা পিনিঅপসিস
স্টাইলিফেরা (কাড়িকাড়ি) নামক চিংড়ি দিয়ে যা সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এর
মধ্যে খুব বেশী পরিমাণে পাওয়া যায় এবং দামও সস্তা থাকে׀ এছাড়া মেটাপিনিয়াস এফিনিসও (হোয়াইট প্রণ)
ব্যবহার করা যায়׀ চিংড়ির আচার
তৈরীর উপাদানগুলির তালিকাগুলি দেওয়া হল-
|
উপাদান
|
পরিমাণ
|
খোসা ছাড়ানো চিংড়ি
|
১
কিলোগ্রাম
|
সরষে দানা
|
৪ গ্রাম
|
মেথি দানা
|
৪ গ্রাম
|
খোসা ছাড়নো রসুন
|
১০০ গ্রাম
|
সবকটি
মিক্সারে মিশিয়ে লেই বানিয়ে নিন (লেই নম্বর ১)
|
খাসা ছাড়ানো আদা
|
২৫ গ্রাম
|
কাঁচা লঙ্কা
|
৩০ গ্রাম
|
গুড়ো লঙ্কা
|
৩০ গ্রাম
|
জল মিশিয়ে
লেইবানিয়ে নিন (লেই নম্বর ২)
|
গুড়ো হলুদ
|
৫ গ্রাম
|
গুড়ো জিরে
|
৩০ গ্রাম
|
লবণ
|
৮০ গ্রাম
|
চিনি
|
৫ গ্রাম
|
তেল ডবল রিফাইন্ড
|
২৫০
মিলিলিটার
|
ভিনিগার
|
৩০০
মিলিলিটার
|
বেনজয়িক আসিড
|
২৫০
মিলিগ্রাম
|
|
|
|

|
তৈরীর ধাপ
|
*
বাজার থেকে কিনে আনা চিংড়ি বার বার পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিতে হবে যে পর্যন্ত
না চিংড়িতে লেগে থাকা বালি ও অন্যান্য অনাবশ্যক পদার্থ দূর হচ্ছে׀
|
*
এবার চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে পরিষ্কার বাতাবরণে׀
|
*
ছাড়ানো চিংড়ির ওজন নিতে হবে׀
|
*
উত্পাদনের তালিকায় বর্ণিত পরিমাণের অর্ধেক নুন ছাড়ানো চিংড়ির সঙ্গে মিশিয়ে
দিয়ে কিছুক্ষণ (আধঘন্টা) রেখে দিতে হবে׀
|
*
রসুন, আদা ও কাঁচালঙ্কা মিক্সারে একসঙ্গে লেই বানাতে হবে (১নং লেই)׀
|
*
গুড়ো লঙ্কা, গুড়ো হলুদ এবং গুড়ো জিরে জল মিশিয়ে লেই বানিয়ে নিন (২নং লেই)׀
|
*
তালিকায় বর্ণিত পরিমাণের অর্ধেক তেল কড়াইতে ঢালুন এবং তেল গরম হওয়ার পর
নুন-মিশ্রিত চিংড়ি ঢেলে দিন ও ভাজতে থাকুন׀ প্রথমে প্রচুর জল বেরোবে׀ সেই জল ফেলা চলবে না׀ কড়াইতেই শুকোতে হবে׀ জল শুকিয়ে যাওয়ার পর তেলে হাল্কা ভেজে চিংড়ি
ছেকে তুলে আলাদা পাত্রে রাখুন׀
|
*
কড়াইতে যে তেল পড়ে থাকবে, তার সঙ্গে বাকী তেল ঢেলে দিন׀
|
*
অল্প গরম তেলে আধা ভাঙ্গা মেথি ও সর্ষে ঢেলে দিন এবং ১-২ মিনিট হাল্কা আঁচে
ভাজুন׀
|
*
এবার রসুন-আদা-কাঁচালঙ্কা দিয়ে তৈরী লেই তেলে ঢালুন׀ অর্ধেক নুন যা আলাদা রাখা ছিল-তা এই মশলাতে
ঢালুন ও ভাজতে থাকুন׀
|
*
যখন ১নং লেই আধা-ভাজা হবে, তখন ২নং লেই কড়াইতে ঢালুন ও ভাজতে থাকুন- যতক্ষণ
পর্যন্ত ভাজা মশলার গন্ধ না বেরোয়׀
|
*
চিনি ঢালুন ও একটু নাড়ুন׀
|
*
ভাজা চিংড়ি যা আলাদা রাখা ছিল-তা এবার কড়াইতে ঢালুন ও মশলার সাথে কম আঁচে
ভাজতে থাকুন׀ খেয়াল
রাখুন মশলা কড়াইয়ের নীচে লেগে না যায়׀
|
*
ভাজা তখন বন্ধ করবেন যখন তেল ছেড়ে দেবে এবং সুন্দর ভাজা গন্ধ বেরোবে׀
|
*
কড়াই উনুন থেকে সরিয়ে পাখার তলায় ঠান্ডা করতে দিন׀
|
*
ঈষদুষ্ণ ভাজা চিংড়িতে ভিনিগার বেনজোথিক আসিড ঢালুন এবং ভাল করে মেশান׀ চিংড়ির আচার তৈরী׀
|
*
বোতল ঈষদুষ্ণ জলে ভাল করে ধুয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে নিন׀
|
*
চিংড়ির আচার বোতলে ভরুন׀ লক্ষ্য রাখুন যেন আচারের উপর তেলের এক স্তর জমা হয়׀
|
*
বোতলে লেবেল লাগান׀
|
*
চিংড়ির আচার পারিপার্শ্বিক তাপমানে ৭ মাস গ্রহণযোগ্য׀
|

|

|
মাছের আচার
|
ভোলা ভেটকী, তেলাপিয়া জাতীয়
মাছের আচার বানানো যায়׀ এক্ষেত্রে মাছকে প্রথমে আঁসমুক্ত করে মাথা কেটে ফেলা হয়׀ পেটের নাড়িভুড়ি বার করে ভাল করে ধুয়ে নেওয়া হয়׀ তারপর ফুটন্ত জলে দশমিনিট ফুটিয়ে নেওয়া হয়׀ তারপর মাছগুলো জল থেকে তুলে একটু ঠান্ড করা হয়׀ যখন ঈষদুষ্ণ থাকে তখন মাছের চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা
হয়׀ এরপর হাত দিয়ে কাঁটা
আলাদা করে মাছের পেশী আলাদা করা হয়׀ এই আলাদা করা পেশী থেকে আচার বানানো হয়׀ এক্ষেত্রে ২টি কড়াই লাগে׀ এক কড়াইতে মাছের পেশী তেলে ভাজা হয় এবং অন্য
কড়াইতে পূর্ব বর্ণিত পদ্ধতিতে মশলা ভাজা হয়׀ উপাদান চিংড়ির আচারের মতই׀ কেবল তেল (ডবল রিফাইন্ড বাদাম, সানফ্লাওয়ার, তিল
তেল- সর্ষের তেল নয়) ২৫০ মিলিলিটারের জায়গায় ৫০০মিলিলিটার এবং ভিনিগার
৩০০মিলিলিটারের জায়গায় ৪০০মিলিলিটার লাগবে׀ প্রথমে মাছ ভাজবার জন্য অর্ধেকের বেশী তেল ব্যবহার করতে
হবে׀ এক কড়াইতে চিংড়ি ও
অন্য কড়াইতে মশলা ভাজা হয়׀ মশলা
ভাজা হলে তা চিংড়ির কড়াইতে ঢালা হয় এবং চিংড়ির সঙ্গে মশলা আরও কিছুক্ষণ
ভাজা হয়׀ অন্যান্য সব ধাপ
চিংড়ির আচার তৈরীর মতই׀
|

|
মুরলা, চেলা জাতীয় ছোট মাছ
থেকেও চমত্কার আচার বানানো যায়׀ এক্ষেত্রে ছোট মাছ পেট টিপে পরিষ্কার করে ভাল
করে ধুয়ে নিতে হয়׀ তারপর
অর্ধেক নুন মিশিয়ে রাখতে হয়׀ তারপর
৪০০মিলিলিটার তেল নিয়ে তাতে ঐ ১কেজি ছোট মাছ ভাল করে ভাজতে হবে
(Deep
fry)
ভাজার পরে যে তেল
পড়ে থাকবে তাতে মশলা ভাজতে হবে׀ মশলা ইত্যাদির পরিমাণ চিংড়ির আচারের উপাদানের
সমান׀ মশলা ভাজার পদ্ধতি
ও ক্রম চিংড়ির আচারের মত একই প্রকার׀ ভিনিগার ৪০০মিলিলিটার লাগবে׀
|

|
মাছের পাঁপড়
|
উপাদান
|
পরিমাণ
|
কলাইয়ের ডাল গুড়ো
|
১০০ গ্রাম
|
কাঁটা মুক্ত সিদ্ধ
মাছের পেশী
|
৮০ গ্রাম
|
লবণ
|
৬ গ্রাম
|
সোডিয়াম কার্বোনেট
|
১.৫ গ্রাম
|
সোডিয়াম বাইকার্বোনেট
|
১.৫ গ্রাম
|
আদা
|
২ গ্রাম
|
রসুন
|
২ গ্রাম
|
|
বানানো ধাপ
|
*
ভোলা ভেটকি মাছের পেশী পূর্ব বর্ণিত পদ্ধতিতে তৈরী করুন׀
|
*
আদা রসুনের পেস্ট তৈরী করুন׀
|
*
মাছের পেশীর পেস্ট বানাতে হবে ইলেকট্রিক মিক্সার-এ׀
|
*
৮০ গ্রাম মাছের পেস্ট ১০০ গ্রাম কলাই ডালের পাউডার ও অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে
মেখে গোলা বানাতে হবে׀ অনেকক্ষণ
ধরে চটকাতে হবে যতক্ষণ না গোলাটা নরম হয়ে যাছে׀ সাধারণত বাইরে থেকে জল দিতে হয় না׀ মাছের মধ্যের জলেই গোলা বনে যায়׀
|
*
গোলা থেকে ছোট ছোট লেচি বানাতে হয় এবং তা বেলে পাতলা পাঁপড় বানাতে হয়׀
বেলবার সময় সামান্য তেল ব্যবহার করা যাবে׀
|
*
পাঁপড় রোদে শুকোতে হবে׀
|
*
পাঁপড় ১০০ গেজ পলিথিন প্যাকেটে ঢোকাতে হবে এবং প্যাকেট গরম দিয়ে সিল করে
দিতে হবে׀
|
*
পাঁপড় ৬মাস ভাল থাকে׀
|

|
মাছের ঝুরিভাজা
|
উপকরণ
|
পরিমাণ
|
কাঁচা ছোলার বেসন
|
১০০ গ্রাম
|
মাছের পেশী
|
৭০ গ্রাম
|
সোডিয়াম বাইকার্বোনেট
|
১০০ গ্রাম
|
কাঁচা লঙ্কার পেস্ট
|
২.৫ গ্রাম
|
লবণ
|
২.৫ গ্রাম
|
আদা
|
২.০ গ্রাম
|
রসুন
|
২.০ গ্রাম
|
|

|
বানানোর ধাপ
|
*
ভোলা ভেটকি মাছের পেশী আগে বর্ণিত পদ্ধতিতে তৈরী করুন׀
|
*
আদা ও রসুন তৈরী করুন׀
|
*
মাছের পেশীর পেস্ট বানাতে হবে ইলেকট্রিক মিক্সারে׀
৭০ গ্রাম মাছের পেস্ট ও ১০০গ্রাম ছোলার বেসন অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে (যা উপরে
দেওয়া আছে) মিশিয়ে নরম গোলা তৈরী করুন׀
প্রয়োজন মত জল ব্যবহার করতে হবে׀
|
* এ
গোলা তেল মাখানো ছাঁচে ফেলে পিস্টনে চাপ দিয়ে লম্বা লম্বা কাঠি সোজা গরম তেলে
ভাজুন যতক্ষণ না সোনালী বাদামী রং আসে׀
|
*
প্রস্তুত করা ঝুরিভাজা ১০০ গেজ পলিথিনের প্যাকেটে ভরে তাপ দিয়ে সিল করুন׀
|
*
এই ঝুরিভাজা ১৪ দিন প্যাকেটে কুড়মুড়ে থাকে׀
|

|
মাছের স্ট্যান্ডউইচ
|
উপকরণ
|
পরিমাণ
|
মাছের পেশী
|
১
কিলোগ্রাম
|
সরিষা দানা
|
৪ গ্রাম
|
মেথি দানা
|
৪ গ্রাম
|
কাঁচা লঙ্কা
|
২০ গ্রাম
|
মিক্সারে
লেই প্রস্তত করুন
১নং লেই
|
রসুন (ছাড়ানো)
|
১০০ গ্রাম
|
আদা (ছাড়ানো)
|
২৫ গ্রাম
|
গুড়ো লঙ্কা
|
১৫ গ্রাম
|
জল
মিশিয়ে লেই প্রস্তত করুন
২নং লেই
|
গুড়ো জিরা
|
৩০ গ্রাম
|
গুড়ো হলুদ
|
৫ গ্রাম
|
তেল
|
৫০০
মিলিলিটার
|
লবণ
|
২৮ গ্রাম
|
চিনি
|
৫ গ্রাম
|
দারচিনি
|
৪ গ্রাম
|
বেটে লেই
বানান
৩নং লেই
|
এলাচি দানা
|
২ গ্রাম
|
মাখন
|
২০০ গ্রাম
|
পাতিলেবু
|
৩-৪টি
|
ধনেপাতা
প্রয়োজন মত
|
|
বানানোর ধাপ
|
* ভোলা ভেটকি মাছের পেশী পূর্ববর্ণিত
পদ্ধতিতে তৈরী করুন׀
|
* এক্ষেত্রে দুটি কড়াই ব্যবহার করা
হয়׀
|
* প্রথমে কড়াইতে ৩৫০মিলিলিটার তেল
গরম করে মাছের পেশী ভাজা হয়׀
|
* দ্বিতীয় কড়াইতে পূর্ব বর্ণিত
পদ্ধতিতে মশলা ভাজা হয় ১৫০ মিলিলিটার তেলে׀
মশলা ভাজা হয়ে গেলে গরম মশলার ৩নং লেই ঢেলে ২-৩ মিনিট ভাজতে হবে׀
মশলা ভাজার ক্রম ও পদ্ধতি চিংড়ির আচারের মত একই প্রকার׀
তফাত শুধু এই যে অন্যান্য মশলা ভাজার পর ৩নং লেই ঢেলে ২-৩ মিনিট ভাজতে হয়׀
|
* মশলা ভাজা হয়ে গেলে তা অন্য কড়াইতে
মাছ ভাজার সঙ্গে ঢেলে একসঙ্গে ভাজতে হবে ঢিমি আঁচে যতক্ষণ না ভাজা মাছ ও
মশলার সুগন্ধ বেরোয়׀
|
* আঁচ থেকে কড়াই সরিয়ে নিন এবং
ফ্যানের তলায় রেখে ঠান্ডা করুন׀
|
* একটু ঠান্ডা হওয়ার পর মাখন মিশিয়ে
দিন׀
|
* ৩-৪টি লেবুর রস চিপে মিশিয়ে দিন
স্বাদ অনুযায়ী লেবু মেশান׀
|
* ধনে পাতা ছোট ছোট করে কেটে মিশিয়ে
দিন׀
|
* পাউরুটির টুকরো সেঁকে ২পিস পাউরুটির
মধ্যে উপরে বর্ণিত পেস্ট বিছিয়ে দিন׀
টোস্ট বিছানোর পূর্বে একটু টমাটো সস পাউরুটিতে লাগিয়ে নিলে খেতে খুব সুস্বাদু
হবে׀
|

|