কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
ভূমিকা
ভৌগলিকগত অবস্থানের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নানান উল্লেখযোগ্য উদ্যানজাত ফসলের
উত্পাদনে সমৃদ্ধ হয়েছে৷ এই দিকে বিশেষ নজর দিয়ে এবং ফল ও সব্জি প্রক্রিয়াকরণ
প্রভৃতির দিকে বিপুল পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগের সম্ভাবনাকে মাথায় রেখে রাজ্য
সরকার ৫টি কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠন করেছে৷ |
কৃষি রপ্তানী অঞ্চলগুলি নিম্নরূপ-
১) আনারস কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
২) লিচু কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
৩) আলু কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
৪) আম কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
৫) সব্জি কৃষি রপ্তানী অঞ্চল |
|

|
কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের উদ্দেশ্য
|
-
অঞ্চলভিত্তিক যোগ্যফসলের
সনাক্তকরণ করে ঐ ফসলকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সঠিক ভাবে উত্পাদন,
প্রক্রিয়াকরণ, মোড়কিকরণ এবং শেষ পর্যন্ত বিদেশে রপ্তানী একত্রিতভাবে
চাষিদের গ্রহণযোগ্য করা৷
-
এই অঞ্চলের উত্পাদিত ফসলের মূল্য
সংযুক্তিকরণের উদ্দেশ্য, উত্পাদনের গুণগতমান উন্নয়ন এবং মোড়কিকরণ বিষয়গুলিও
কৃষি রপ্তানীযোগ্য অঞ্চলের উদ্দেশ্যে অন্তর্ভূক্ত৷
|
|

|
কৃষি রপ্তানী ও ভৌগলিক অঞ্চলের নাম
|
কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
|
ভৌগলিক অঞ্চল
|
আনারস কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল
|
-
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের
ভৌগলিক জায়গাগুলি হল জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর৷
-
মাটির গুণগতমান এবং জলবায়ুর
জন্য পশ্চিমবঙ্গের তরাই অঞ্চল আনারস উত্পাদনের জন্য খুবই উপযোগী৷
|
লিচু কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল
|
-
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের ভৌগলিক
জায়গাগুলি হল মালদহ, মুর্শিদাবাদ, দ:
২৪ পরগণা
ও উ:
২৪পরগণা৷
-
মাটির গুণগতমান এবং কৃষি
জলবায়ুর জন্য পশ্চিমবঙ্গের এই অঞ্চল লিচু
উত্পাদনের জন্য খুবই উপযোগী৷
-
অন্য দেশ থেকে উপযুক্তজাতের লিচু
সংগ্রহ করে লাগালে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে৷
|
আলু কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল
|
-
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের ভৌগলিক
জায়গাগুলি হল হাওড়া,হুগলী, বর্ধমান ও মেদিনীপুর(পশ্চিম)৷
|
আম কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল
|
-
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের
ভৌগলিক জায়গাগুলি হল মালদহ ও মুর্শিদাবাদ৷
|
সব্জি কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল
|
-
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চলের ভৌগলিক
জায়গাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগণা, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ৷
|
|
|

|
আনারস
কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
|
আনারস রপ্তানী অঞ্চল(২০০৩-২০০৪)
|
জেলা
|
চাষের এলাকা(হেক্টর)
|
ফলন টন/হেক্টর
|
উত্পাদন(মেট্রিক টন)
|
দার্জিলিং
|
৩৭০০
|
২৬.৮১
|
৯৯২০০
|
জলপাইগুড়ি
|
১৫৫৫
|
২৬.০৪
|
৪০৫০০
|
কোচবিহার
|
২৫০
|
২৮.০০
|
৭০০০
|
উত্তর দিনাজপুর
|
২৪৪০
|
২৮.৭৭
|
৭০২০০
|
| |
-
আনারস উত্পাদনে পশ্চিমবঙ্গ ভারতবর্ষের মধ্যে প্রথম৷পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে তরাই অঞ্চলের
জেলাগুলিতে আনারস চাষ নিবিড় ভাবে হয়৷
-
রাজ্যের বাইরে ও
বিদেশের বাজারে এরাজ্যের আনারসের রপ্তানীর সম্ভাবনা প্রচুর, তার
জন্য
আনারসের চাহিদামাফিক গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন৷
-
আনারসের সম্যক সদ্ব্যবহার ও
সেই সাথে উত্পাদিত ফলন ও মানের উন্নয়নসহ
সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে (ক) জলপাইগুড়ি, (খ)দার্জিলিং, (গ) কোচবিহার, (ঘ) উত্তর দিনাজপুর
-এই চারিটি নিবিড় আনারস
উত্পাদনের জেলাকে নিয়ে একটি আনারস কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত হয়েছে৷
-
এই অঞ্চলের উত্পাদিত আনারসের
মান উন্নয়ন বাজারে চাহিদানুসারে উত্পাদনের উত্স তৈরী, সংরক্ষণ,
প্রক্রিয়াকরণ, মোড়কিকরণের মাধ্যমে রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি এবং তত্সহ
রপ্তানীযোগ্য পণ্যকে সনাক্ত করে তার গুণগত মান উন্নত করাই এই কৃষি রপ্তানী
অঞ্চল প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য৷
-
রাজ্যের খাদ্য
প্রক্রিয়াকরণশিল্প ও উদ্যানপালন বিভাগের মধ্যস্থতায় ডাবর কোম্পানী সম্প্রতি
জলপাইগুড়ি জেলায় আনারস থেকে প্রগাঢ় রস (Concentrate) উত্পাদনের কারখানা
প্রতিষ্ঠা করেছে৷ এই কারখানায় টমেটো বা অন্যান্য সব্জির প্রক্রিয়াকরণের
ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷
-
রাজ্যের খাদ্য
প্রক্রিয়াকরণশিল্প ও উদ্যানপালন বিভাগের মধ্যস্থতায় সম্প্রতি আনারসের
খন্ডিত চাকলা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত কৌটায় সংরক্ষণের
জন্য একটি কারখানা নির্মাণের ব্যবস্থা ক্যালিপসো কোম্পানী নিচ্ছে৷
-
আনারস জমির সারিতে অন্তর্বতী
ফসলহিসাবে ঘেরকিনস (Gherkins)চাষের মাধ্যমে উপর্যুপরি ২টি ফসল নেওয়ার
প্রযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্প্রসারণের প্রয়াস চলছে৷ ঘেরকিনস
প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে রপ্তানীর সম্ভাবনা উজ্জ্বল ৷
|
আনারস
চাষ সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগের ঠিকানা-
১) উপঅধিকর্তা (ফল)
মকদমপুর, মালদহ
দূরভাষ-০৩৫১২-২৫৫১৮২৷
২) অধিকর্তা
খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যানপালন বিভাগ
ময়ূখভবন, বিধাননগর, কলকাতা-৯১
দূরভাষ-০৩৩-২৩৩৭-২৯১৮৷
|
|

|
লিচু কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
|
লিচু রপ্তানী অঞ্চল (২০০৩-২০০৪) |
জেলা |
চাষের এলাকা(হেক্টর) |
ফলন টন/হেক্টর |
উত্পাদন(মেট্রিক টন) |
মালদহ
|
৬২০
|
১০.৫০
|
৬৫১০
|
মুর্শিদাবাদ
|
২১০০
|
৬.২১
|
১৩০৫০
|
উত্তর ২৪ পরগণা
|
৬৯০
|
৯.৪৩
|
৬৫১০
|
দক্ষিণ ২৪ পরগণা
|
৪৫০
|
১০.০০
|
৪৫০০
|
| |
-
লিচু উত্পাদনে
পশ্চিমবঙ্গের স্থান ভারতবর্ষের মধ্যে দ্বিতীয়৷ এই রাজ্যে বিপুল পরিমান লিচু
উত্পাদন হওয়ার সুযোগ আছে৷
-
রাজ্যের বাইরে ও বিদেশের
বাজারেও এরাজ্যের লিচুর রপ্তানীর সম্ভাবনা প্রচুর৷ তারজন্য লিচুর
চাহিদানুসারে গুণগত মান প্রয়োজন৷
-
লিচুর সম্যক সদ্ব্যবহার
ও সেই সাথে উত্পাদিত ফলন ও মানের উন্নয়ন সহ সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে (ক)
মালদহ, (খ)মুর্শিদাবাদ এবং (গ) উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা -এই চারিটি নিবিড়
লিচু উত্পাদনের জেলাকে নিয়ে একটি লিচু কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত হয়েছে৷
-
এই অঞ্চলের উত্পাদিত
লিচুর মান উন্নয়ন, বাজারের চাহিদামাফিক লিচু উত্পাদনের উত্স তৈরী, উপরন্তু
সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও মোড়কিকরণের মাধ্যমে রপ্তানীযোগ্য পণ্যকে সনাক্ত
করে তার গুণগত মান উন্নত করাই এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চল প্রকল্পের প্রধান
লক্ষ্য৷
-
উপযুক্ত প্রযুক্তি
সহকারে তাজাফল সংরক্ষণের জন্য মালদহে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে পেটিতে
সংরক্ষণের ব্যবস্থার জন্য মোড়কঘর (প্যাকহাউস) তৈরী করা হয়েছে
খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণশিল্প ও উদ্যানপালন দপ্তরের প্রচেষ্টায়৷
|
|

|
আলু রপ্তানী অঞ্ল
|
আলু রপ্তানী
অঞ্ল (২০০৩-২০০৪)
|
জেলা
|
চাষের এলাকা(হেক্টর)
|
ফলন টন/হেক্টর
|
উত্পাদন(মেট্রিক টন)
|
হাওড়া
|
৬৭৩৩
|
১৬.৩৩
|
১৭৭৩৩২
|
হুগলী
|
৯০৩৩৫
|
১৬.৬৮
|
১৪১০১৬৩
|
বর্ধমান
|
৪৫৫১৩
|
১৭.১৩
|
১২৩৫০০৩
|
পশ্চিম
মেদিনীপুর
|
৬১০৮০
|
১৫.৩৩
|
১৫৪৭৫০৪
|
| |
-
পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণে
আলু উত্পাদিত হয়৷
ভারতবর্ষের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয়৷ আলু চাষিরা ন্যায্য দাম পায় না৷
উত্পন্ন ফসলের অনেকাংশই নষ্ট হয়৷ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বেশী পরিমানে
ব্যবহৃত হয় বলে আলুর গুণগত মান বজায় থাকে না৷
-
রাজ্যের বাইরে ও
বিদেশের বাজারেও এই রাজ্যের উত্পাদিত আলু রপ্তানীর সম্ভাবনা প্রচুর৷ তার
জন্য চাহিদামাফিক গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন৷
-
আলুর সম্যক
সদ্ব্যবহার ও সেই সাথে উত্পাদিত ফলন ও মানের উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নের
লক্ষ্যে (ক) হাওড়া, (খ)হুগলী, (গ)বর্ধমান ও (ঘ) পশ্চিম মেদিনীপুর- এই
চারিটি নিবিড় আলু উত্পাদনের জেলাগুলিকে নিয়ে আলু কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত
হয়েছে৷
-
এই অঞ্চলের
উত্পাদিত আলুর মান উন্নয়ন, বাজারের চাহিদামাফিক আলু উত্পাদনের উত্স তৈরী,
উপরন্তু সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও মোড়কিকরণের মাধ্যমে রপ্তানীর সুযোগ
সৃষ্টি এবং তত্সহ রপ্তানীযোগ্য পণ্যকে সনাক্ত করে তার গুণগত মান উন্নত করাই
এই কৃষি রপ্তানী অঞ্চল প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য৷
|
|

|
আম কৃষি রপ্তানী অঞ্চল
|
আম রপ্তানী অঞ্চল
(২০০৩-২০০৪)
|
জেলা
|
চাষের এলাকা(হেক্টর)
|
ফলন টন/হেক্টর
|
উত্পাদন(মেট্রিক টন)
|
মালদহ
|
১৪৮৫০
|
৩.৪৬
|
৮৬০০০
|
মুর্শিদাবাদ
|
১৩৪৫০
|
৯.৫০
|
১২৭৭৭৫
|
| |
-
এরাজ্যে বিপুল পরিমাণে আম
উত্পাদিত হয়৷ আমের
বাগিচা মালিকেরা ন্যায্য দাম পায় না৷ উত্পন্ন ফসলের অনেকাংশই নষ্ট হয়৷
উপরন্তু রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বেশী পরিমানে ব্যবহৃত হয় বলে গুণগত
মান বজায় থাকে না৷
-
রাজ্যের বাইরে ও
বিদেশের বাজারেও এই রাজ্যের উত্পাদিত আম রপ্তানীর সম্ভাবনা প্রচুর৷ তার
জন্য চাহিদানুসারে গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন৷
-
আমের সম্যক
সদ্ব্যবহার ও সেই সাথে উত্পাদিত ফলন ও মানের উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নের
লক্ষ্যে (ক) মালদহ ও (খ)মুর্শিদাবাদ- এই
দুইটি নিবিড় আম উত্পাদনের জেলাকে নিয়ে আম কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত হয়েছে৷
-
লক্ষ্য- এই
অঞ্চলের উত্পাদিত আমের মান উন্নয়ন, বাজারের চাহিদামাফিক আম উত্পাদনের উত্স
তৈরী, উপরন্তু সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও মোড়কিকরণের মাধ্যমে রপ্তানীর সুযোগ
সৃষ্টি করা এবং রপ্তানীযোগ্য পণ্যকে সনাক্ত করে তার গুণগত মান উন্নত করা৷
|
|

|
সব্জি কৃষি
রপ্তানী অঞ্চল- |
সব্জি রপ্তানী অঞ্চল (২০০৩-২০০৪)
|
জেলা
|
চাষের এলাকা(হেক্টর)
|
ফলন টন/হেক্টর
|
উত্পাদন(মেট্রিক টন)
|
মুর্শিদাবাদ
|
৬৯৯০৭
|
১৪.৯১
|
১০৪২৫২৯
|
নদীয়া
|
৭৭৪৯০
|
১৩.১৩
|
১০১৭৬১৩
|
উত্তর ২৪ পরগণা
|
৬৩০৮৭
|
১১.২৩
|
৭৭১৭৬৫
|
| |
-
পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণে সব্জি
উত্পাদিত হয়৷ সব্জি
উত্পাদনে এই রাজ্য দেশের মধ্যে প্রথম৷ সব্জি চাষিরা ন্যায্য দাম পায় না৷
উত্পন্ন ফসলের অনেকাংশই নষ্ট হয়৷ উপরন্তু রাসায়নিক সার ও কীটনাশক খুব বেশী
পরিমানে ব্যবহৃত হয় বলে এই সব্জি স্বাস্থ্যসম্মত হয় না৷
-
রাজ্যের বাইরে ও
বিদেশের বাজারেও এই রাজ্যের সব্জির রপ্তানীর সম্ভাবনা প্রচুর৷ তার জন্য
সব্জির চাহিদানুযায়ী গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন৷
-
সব্জির সম্যক
সদ্ব্যবহার ও সেই সাথে উত্পাদিত সব্জির ফলন ও মানের উন্নয়নগত সার্বিক
উন্নয়নের লক্ষ্যে (ক) মুর্শিদাবাদ, (খ)নদীয়া
ও (গ) উত্তর ২৪ পরগণা
- এই তিনটি নিবিড় সব্জি উত্পাদনের
জেলাকে নিয়ে একটি সব্জি কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত হয়েছে৷
-
লক্ষ্য- এই
অঞ্চলের উত্পাদিত সব্জির মান উন্নয়ন, বাজারের চাহিদামাফিক সব্জি উত্পাদনের
উত্স তৈরী, উপরন্তু সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও মোড়কিকরণের মাধ্যমে রপ্তানীর
সুযোগ সৃষ্টি করা এবং রপ্তানীযোগ্য পণ্যকে সনাক্ত করে তার গুণগত মান উন্নত
করা৷
|
|

|