পশ্চিমবঙ্গ
উদ্যানজাত ফসল এবং প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যান পালন বিভাগ সাধারণ জ্ঞাতব্য
বিষয়
|
| |
| ♦ |
পশ্চিমবঙ্গের আয়তন ৮৮.৭৫২ বর্গ কিমি এবং ৬টি কৃষি
জলবায়ু অঞ্চল জুড়ে বিভিন্ন রকমের উদ্দ্যানজাত ফসল যেমন- ফল, সব্জি,
|
| |
মসলা,মূল ও কন্দজাতীয় ফসল, ফুল এবং বাহারীপাতা, ভেষজ ও সুগন্ধি
উদ্ভিদ এবং বাগিচা ফসল যেমন নারিকেল, কাজুবাদাম, পান এবং সুপারী উত্পাদনের প্রভূত সুযোগ আছে।
|
| ♦ |
বর্তমানে এরাজ্যে মোট চাষ এলাকার প্রায় ১৫ শতাংশ
জমিতে উদ্যানজাত ফসলের চাষ হয়।
|
| ♦ |
এরাজ্যের ব্যাত্সরিক ফল উত্পাদন প্রায় ২০ লক্ষটন
এবং সব্জির ১০.৯ লক্ষটন। দেশের মধ্যে আমাদের রাজ্য সব্জি ও আনারস উত্পাদনে প্রথম এবং আলু ও লিচু উত্পাদনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
|
| ♦ |
ফুল একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক উদ্দ্যানজাত ফসল এবং এর
বিদেশে রপ্তানীর উজ্জল সম্ভাবনা আছে।
|
| ♦ |
পশ্চিমবঙ্গে ফুলের এলাকা এবং উত্পাদন যথাক্রমে
১৭০০০ হেঃ এবং ৪৩০০০ মেঃটন খুচরো ফুল ও ৮৭ কোটি কাট ফুল।
এই
|
| |
দপ্তর কোলকাতায় অবস্থিত মল্লিকঘাট ফুল বাজারটি একটি আধুনিক ফুল বাজারে
পরিণত করার উদ্দ্যেশে কোলকাতা পোটট্রাষ্ট হইতে অধিগ্রহণ করেছে।
|
| ♦ |
এই দপ্তর পাঁশকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুরে একটি ফুলের
বাজার তৈরী করেছে।
|
| ♦ |
এই রাজ্য অন্যান্য উদ্দ্যানজাত ফসল যেমন নারিকেল,
পান, মশালা এবং ভেষজ ও সুগন্ধি উদ্ভিদের উত্পাদনে অগ্রগতি লাভ করেছে।
|
| ♦ |
উদ্দ্যানজাত ফসলের ব্যাপক উত্পাদন সত্যেও উত্পাদনশীলতা এবং গুণগতমান অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় যথেষ্ট কম।
|
| ♦ |
উদ্দ্যানজাত ফসলের গুণগত মান উন্নয়ণ, রপ্তানী এবং
ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষি যারা সংক্ষায় পশ্চিমবঙ্গে অধিকাংশ তাদের উত্পাদিত
ফসলের
|
| |
ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে এরাজ্যে পাঁচ (৫টি) কৃষি রপ্তানী
অঞ্চল গঠিত হয়েছে যেমন-
প্রথমটি- জলপাইগুড়ি, কোচবিহার,
দার্জ্জিলিং এবং উত্তর-দিনাজপুর জেলা নিয়ে আনারস।
দ্বিতীয়টি- মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ও
দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা নিয়ে লিচু।
তৃতীয়টি- হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান এবং
পশ্চিম মেদিনীপুর অঞ্চল নিয়ে আলু।
চতুর্থটি- মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলা নিয়ে
আম।
পঞ্চমটি- মুর্শিদাবাদ, নদীয়া এবং উত্তর
২৪ পরগণা জেলা নিয়ে সব্জি।
|
| ♦ |
রপ্তানীর জন্য প্রয়োজনীয় গুণগতমানের সাথে সাথে
দেশীয় বাজারের জোগান ধরে রাখতে উন্নত মানের উদ্যানজাত ফসল উত্পাদনের
|
| |
আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য কৃষিররপ্তানী অঞ্চল উদ্যানজাত
ফসলের উত্পাদকদের প্রয়োজনীয় উত্সাহ দেবে।
|
| ♦ |
রাজ্য সরকার রাজ্যের অর্থনীতির উন্নতি এবং
কর্মসংস্থানের লক্ষে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়েছে।
|
| ♦ |
কৃষিজ কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাওয়া রোধে এবং চাষিদের
ন্যাজ্য মূল্য সুনিশ্চিত করতে, এই দপ্তর পৌরঃ বাজারগুলিতে হিমঘর-পরিবহণ
|
| |
পরিকাঠামো সৃষ্টিরজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
|
| ♦ |
এই দপ্তরের আর্থিক সহায়তায় ১১টি পৌরঃবাজারে
হিমঘর-পরিবহণ পরিকাঠামো সৃষ্টি হয়েছে।
|
| |
|
 |