উদ্যানজাত ফসলের উন্নয়নের কৌশল

বার্ষিক ম্যাক্রোমোড কর্ম পরিকল্পনার অধিনে বিভিন্ন প্রকল্প ২০০৪-০৫(উদ্যানজাত ফসলের)

 

সব্জি উন্নয়ন প্রকল্প

ফুল উন্নয়ন প্রকল্প

মশলা উন্নয়ন প্রকল্প

কাজুবাদাম উন্নয়ন প্রকল্প

ফল উন্নয়ন প্রকল্প

ভেষজ উদ্ভিদ উন্নয়ন প্রকল্প

ছাতু (মাশরুম) উন্নয়ন প্রকল্প

কৃষিতে প্লাস্টিকের ব্যবহার

সব্জি উন্নয়ন প্রকল্প

১) কীটনাশক বিতরণ- সব্জিতে সহজেই রোগপোকা লাগে এবং ফসল ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়| সাথে সাথে ফলনও কমে যায়| রোগপোকা দমনের উদ্দেশ্যে খরচের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অনধিক ২৮০ টাকা প্রতি হেক্টর আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে|

 

২) রপ্তানীযোগ্য সব্জি/সঙ্কর বীজের উপর প্রর্দশনী- এই দপ্তরের অধীনে একটি সব্জি কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠিত হয়েছে| রপ্তানীযোগ্য সব্জি উত্পাদনে চাষিভাইদের উত্সাহ দানের জন্য ক্যাপসিকাম, ব্রোকোলি (সবুজ ফুলকপি), রেড় ক্যাবেজ (লাল বাঁধাকপি) ফসলের প্রর্দশনীক্ষেত্র তৈরী করার সিন্ধান্ত  নেওয়া হয়েছে| প্রর্দশনীরক্ষেত্রে মালিকগন সর্বাধিক ব্রোকোলীর জন্য ৫,০০০ টাকা| রেড় ক্যাবেজের জন্য ৪,০০০টাকা| ক্যাপসিকামের জন্য ৩,০০০  টাকা অথবা মূল খরচের ২৫ শতাংশ আর্থিক অনুদান হিসাবে পাবে|

 

৩) সঙ্করবীজ বিতরণ- সঙ্করবীজ চাষ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পের অধীনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের সঙ্করজাত বীজ বিতরণ করা হবে| চাষি-ভাইয়েরা এই বীজের জন্য অনধিক ১২০ টাকা পাবে|

 

৪) মূল ও কন্দজাতীয় শস্যের প্রর্দশনীক্ষেত্র- পশ্চিমবঙ্গে মূল ও কন্দজাতীয় সব্জি যেমন ওলচাষ হয়|মূল ও কন্দজাতীয় শস্যের উপর প্রর্দশনীক্ষেত্র   তৈরী করার করা জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে| প্রতি প্রর্দশনীর জন্য মোট খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ২৫০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে দেওয়া হবে|

 

৫) চাষিভাইদের প্রশিক্ষণ- নতুন প্রযুক্তিতে চাষিদের উত্সাহদান ও গ্রহনের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ দরকার|প্রতি একদিনের প্রশিক্ষণের জন্য কৃষক  পিছু ১২৫ টাকা হিসাবে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে|

 

৬) এগ্রিক্লিনিক' স্থাপন- মূলস্তরে চাষিদের সাহায্য করার জন্য এগ্রিক্লিনিক স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি|এরজন্য কৃষি/উদ্যান বিদ্যা স্নাতককে এই ক্লিনিকে  রাখা হবে| শস্য চিকিত্সক (Crop Doctor)  মাইনেসহ মোট ৬,৫০০০ টাকা হিসাবে ধরা হয়েছে|

 

৭)' সেড-নেট' স্থাপন- পশ্চিমবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে সব্জিচারা উত্পাদিত হয়| সারা বছর ধরে সব্জিচাষের জন্য সল্পমূল্যের ' সেড-নেট' করা প্রয়োজন| 'সেড-নেট' স্থাপনের জন্য সর্বাধিক ৮,০০০টাকা হিসাবে আর্থিক অনুদান দেওয়া যেতে পারে|

ফুল উন্নয়ন প্রকল্প

১)এলাকা সম্প্রসারন-    এরাজ্যে ফুল ভাল হয়, বাজারও ভাল| ফুল চাষের এলাকা বাড়ানোর উদ্দ্যেশে রাজ্য সরকার গাঁদা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবেরা এবং গোলাপ ফুলের চাষ এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে|
০.১ হেঃ জমিতে গাদা চাষের জন্য ২,০০০টাকা|
০.০৫ হেঃ জমিতে গ্ল্যাডিওলাস চাষের জন্য ১৫,০০০টাকা|
০.০৫ হেঃ জমিতে রজনীগন্ধা চাষের জন্য ৫,০০০টাকা|
০.০৫ হেঃ জমিতে জারবেরা চাষের জন্য ১৪,০০০টাকা|
০.০১ হেঃ জমিতে গোলাপ চাষের জন্য ১০,০০০টাকা হিসাবে আর্থিক সাহায্য দানের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে|

২) সেড নেট এবং পলিগ্রীন হাউস স্থাপন- বিশেষ বৈজ্ঞানিক ভাবে সব্জি চারা উত্পাদনে চাষিদের সেড নেট স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে|  ১০০ বর্গ ফুটের জন্য সব্বর্চ ৮০০ টাকা| যে সমস্ত চাষিভায়েরা পলিগ্রীন হাউস তৈরী করতে ইচ্ছুক তাদেরও পলিগ্রীন হাউস তৈরী করার জন্য সব্বর্চ ৭০,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য সহায়তা দেওয়া হবে| পলিগ্রীন হাউসের সাইজ হবে ১০০০ বর্গফুট |

৩)পুষ্প প্রর্দশনীর আয়োজন- চাষিভাইদের ফুলচাষে উত্সাহিত করার উদ্দ্যেশ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পুষ্প প্রর্দশনীর আয়োজন করা এবং এক্ষেত্রে ১০,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দানের সিদ্ধান্ত হয়েছে|

৪)ফুলবাজার আধুনিকিকরণ- পাঁশকুড়ায় একটি ফুলবাজার স্থাপিত হয়েছে| বাজার উন্নয়নের জন্য ৯ লক্ষ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে|

৫) প্রশিক্ষণ-     আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে চাষিভাইদের উত্সাহিত করার জন্য একদিনের প্রশিক্ষণ শিবির করার জন্য এবং কৃষকপ্রতি ১২৫ টাকা হিসাবে আর্থিক সাহায্যের সিদ্ধান্ত হয়েছে|

মশলা উন্নয়ন প্রকল্প

১)গোলমরিচের কাটিং বিতরণ-চাষিভাইদের গোলমরিচ চাষের উত্সাহ দানের জন্য প্রতি কাটিং ৩টাকা হিসাবে গোলমরিচের কাটিং বিতরণ করা হবে|

২)প্রর্দশনী-    আদা, হলুদ এবং লঙ্কা চাষের এলাকা উত্পাদন শিল্প বৃদ্ধির উদ্যেশ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের প্রর্দশনী ক্ষেত্র তৈরীর জন্য চাষের উপকরণ  দেওয়া হবে|  প্রর্দশনী ক্ষেত্র খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক আদার জন্য ২,৫০০ টাকা, হলুদের জন্য ১,৬৫০ টাকা ও লঙ্কার জন্য ১,৪০০ টাকা দেওয়া হবে|  প্রতিপ্রর্দশনীর ক্ষেত্রে এলাকা ০.২ হেক্টর|  পান চাষের এলাকা বাড়ানোর জন্য পান প্রতি ৫ ডেসিমেল পান বোরজ প্রর্দশনী ক্ষেত্রের জন্য ১,০০০ টাকা   আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে|

৩) কীটনাষক বিতরণ-   মসলা ফসলকে রোগ পোকার দ্বারা ক্ষতি হওয়া প্রতিরোধ করতে কীটনাষক বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| এক্ষেত্রে আদার জন্য ১১২.৫০ টাকা, হলুদের জন্য ৩,০০টাকা, লঙ্কার জন্য ২,৫০ টাকা এবং প্রতি ৫ডেসিমেল পান বোরোজের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ১,২৫০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে ধার্য করা হয়েছে

৪)প্রশিক্ষণ- চাষিভাইদের মসলা চাষের উত্সাহ দানের জন্য প্রশিক্ষণের প্রয়োজন এক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য কৃষক প্রতি ১২৫ টাকা

কাজুবাদাম উন্নয়ন প্রকল্প

১) নূতন ফল বাগিচা তৈরী-  কাজুবাদাম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফসল, এর চাহিদা দিনকে দিন বাড়ছে|  অধিক জমিতে কাজুবাদাম চাষের প্রস্তাব গ্রহণ করা হচ্ছে|  সুতরাং চাষের এলাকা সম্প্রসারণ দরকার এবং এর জন্য ২,১০০ টাকা প্রতি হেঃ আর্থিক সাহায্য ধার্য করা হয়েছে

২)কাজুবাদাম নার্সারী স্থাপন- কাজুর জোড় কলমের চাহিদা বাড়ছে|   কিন্তু জোড় কলম পাওয়া যায় না|  নার্সারী মালিকদের কাজু জোড় কলম তৈরী করার জন্য অর্থ সাহায্যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে|  এক্ষেত্রে প্রতি চারা পিছু ২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে

৩) পুরানো বাগানের পূর্ণজীবনীকরণ- (REJUVENATION ) পশ্চিমবঙ্গে কাজুবাদাম একটি অবহেলিত ফসল|  বেশীর ভাগ বাগিচা পুরানো এবং অনুউত্পাদক|   কাজু বাগিচার পূর্ণজীবনীকরণের (REJUVENATION) উদ্দেশ্যে খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ৩,০০০ টাকা / হেঃ আর্থিক সাহায্যের সিদ্ধান্ত হয়েছে

৪) কাজু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপনের সাহায্য-  বেশীরভাগ কাজু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবৈজ্ঞানিক ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়| কাজু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের উন্নতিকরণ এবং উন্নত মানের কাজু তৈরীর জন্য প্রতি কেন্দ্রের জন্য অনধিক ২৫,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে দেওয়া হবে|

৫) প্রশিক্ষণ- চাষিভাইদের কাজু উত্পাদনে এবং প্রক্রিয়াকরণে উত্সাহদানের উদ্দেশ্যে ও বৈজ্ঞনিক প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য ৩দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা এবং প্রতি চাষিভাই পিছু ২১০ টাকা হিসাবে খরচ ধার্য করা হয়েছে|

ফল উন্নয়ন প্রকল্প

১)ক্ষুদ্র নার্সারী গুলিকে সহায়তা- পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১৫০০০ নার্সারীর মালিক আছে| কিন্তু তাদের ব্যাবস্থাপনা সন্তোষজনক নয়| উচ্চমানের চারা, জোড় কলম,গুটি ইত্যাদি উত্পাদনে নার্সারী পিছু ২৫,০০০ টাকা অনুদান হিসাবে দেওয়ার ব্যাবস্থা আছে|

২)এলাকা সম্প্রসারণ-  পেয়ারা, আম, লিচু, সবেদা, আনারস এবং কলার (টিসু কালচার)চাষ এলাকা, উত্পাদন এবং উত্পাদনশিলতা বাড়াবার উদ্দেশ্যে এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে| চাষিভাইদের কেবলমাত্র জোড় কলম দেওয়া হবে| এই প্রকল্পে পেয়ারার জন্য অনধিক ৭,০০০ টাকা / হেঃ আম, লিচু এবং সবেদার জন্য অনধিক ১০,০০০ টাকা / হেঃ এবং কলা ও আনারসের জন্য ৩০,০০০ টাকা / হেঃ দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে|

৩)পুরানো ফলবাগিচার পূর্ণজীবনীকরণ (REJUVENATION ) যথাযত পরিচর্যার অভাবে বর্তমান পূরানো ফলবাগিচা গুলি নিস্তেজ এবং অনুউত্পাদক| উত্পাদন বাড়ানোর জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিভাইদের খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ১,২০০ টাকা প্রতি হেক্টরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে|

৪)টিশুকালচার ল্যাবটারি সহায়তা দান- এই দপ্তর টিশুকালচার ফলের চারা তৈরীর উদ্দেশ্যে কৃষ্ণনগরে যথারিতি একটি টিশুকালচার ল্যাবটরি স্থাপন করেছে| এই ল্যাবটারিকে সুসজ্জিত করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২লক্ষ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে|

৫)কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ-  ফলগাছ বিশালাকার এবং ফল রোগ পোকা দ্বারা নষ্ট হয়| ফল রক্ষার জন্য ফুটস্পেয়ার দরকার এবং প্রতি ফুটস্পেয়ারের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ অথবা ৬০০ টাকা এবং প্রতি পাম্পসেটের জন্য ৪,০০০ টাকা যেটি কম হবে, আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

৬)জিরো এনার্জি চেম্বার প্রদান-    উদ্যানজাত ফল এবং সবজি অতিদ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং ফসল তোলার পর ফল রক্ষা করা রকার|বিজ্ঞানসম্মত ভাবে ফল প্রস্তুতিকরণে উত্সাহদানে জিরো এনার্জি চেম্বার তৈরীর জন্য প্রতিটিক্ষেত্রে অনধিক ২,৫০০ টাকা অথবা খরচের ২৫ শতাংশ অর্থ দানের সুপারিশ করা হয়েছে|

৭)বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি উন্নয়ন-  প্রতিদিনের উপর ভিত্তি করে এলাকা উপযোগী ফলের প্রযুক্তি উন্নয়ন দরকার|নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নের যথেষ্ট সুযোগ আছ| এই কাজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অনধিক ৫লক্ষ টাকা দেওয়া যেতে পারে|

৮) উচ্চ মূল্যের রপ্তানীযোগ্য ফলের প্রর্দশনী ক্ষেত্র- এই দপ্তর যথারিতি আম, লিচু এবং আনারসের কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠন করেছে|রপ্তানীর সুযোগ বাড়ানোর জন্য রপ্তানীযোগ্য ফলের উত্পাদনের উত্পাদন প্রযুক্তির উপর প্রর্দশনী ক্ষেত্র দরকার| মুশম্বি, কুল, ডালিমের জন্য ০.১ হেক্টরে ২,০০০ টাকা, ঘেরকিন ও পেঁপের জন্য ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে|

৯)চাষিভাইদের প্রশিক্ষণ-   উত্পাদন এবং প্রক্রিয়াকরণ উভয় ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ দরকার| এজন্য একদিনের কৃষক প্রশিক্ষণের উপস্থিত কৃষকপিছু ১২৫ টাকা দেওয়া হবে|

১০)অনুখাদ্য এবং গাছের বৃদ্ধিকারক হরমোন-    অনুখাদ্য এবং গাছের বৃদ্ধিকারক হরমোন অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হলেও অবহেলার বিষয় নয়| কিছু জেলায় ফল ফেটে যায় এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে ছত্রাকের আক্রমণের লক্ষন প্রকাশ পায়| সেইজন্য এক হেক্টর জমির জন্য প্রতি কৃষক পিছু ২,৬২৫ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে|

ভেষজ উদ্ভিদ উন্নয়ন প্রকল্প

১)প্রর্দশনী ক্ষেত্র- চাষিভাইদের উত্সাহ দানের এবং বেকার যুবক ও বেসরকারী সংস্থা (N.G.O) গুলিকে কর্মে নিযুক্ত করার উদ্দেশ্যে এরাজ্যে ভেষজ বাগানের প্রর্দশনীক্ষেত্র দরকার| প্রতিটি প্রর্দশনীক্ষেত্রের এলাকা ০.২ হেক্টর এবং প্রতি প্রর্দশনী ক্ষেত্রের জন্য অনধিক ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

২)চাষ এলাকা সম্প্রসারণ-   এলাকা এবং উত্পাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ভেষজ উদ্ভিদের চাষ এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্প গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| খরচের ২৫ শতাংশ অথাবা সব্বর্চ ১২,৫০০ টাকা / হেক্টরে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

৩)ডিস্টিলেসন ইউনিট স্থাপন-   সুগন্ধি গাছ বেড়ে ওঠা অবস্থায় কাটা হয়| সুগন্ধিতেল নিষ্কাশনের জন্য বেসরকারী সংস্থা, প্রতিষ্ঠান গুলিকে সহায়তা দেওয়া হবে| প্রতি ইউনিটের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ সব্বর্চ ২৫,০০ টাকা আর্থিক সহায়তা সিমাবদ্ধ করা হয়েছে|

৪)প্রশিক্ষণ-উত্পাদন এবং ডিস্টিলেসন বিষয়ে চাষিভাইদের প্রশিক্ষণ দরকার| প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিচাষিভাই পিছু ১২৫ টাকা খরচ|

ছাতু (মাশরুম) উন্নয়ন প্রকল্প

১)বিদ্যমান ল্যাবটারির সবলকরণ-     এই দপ্তরে একটি ছাতু (মাশরুম)উত্পাদন কেন্দ্র আছে|  এই কেন্দ্রটিকে সুসজ্জিত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৩ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

২)স্পন উত্পাদন-  স্পনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে| স্পন উত্পাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| প্রতি বোতলের জন্য ১০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

৩)ছাতু(মাশরুম) উত্পাদনের সাহায্য- উপজাতি ও অন্যান্য এলাকায় ছাতু (মাশরুম) জনপ্রিয় করতে ২৫ শতাংশ আর্থিক সহায়তা দানের প্রস্তাব হয়েছে| সব্বর্চ ২৫,০০০ টাকা দেওয়া হবে|

৪)প্রশিক্ষণ-  ছাতু(মাশরুম) উত্পাদনের উপর ২ দিনের প্রশিক্ষণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে| প্রতি কৃষকপিছু ২৫০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

কৃষিতে প্লাস্টিকের ব্যবহার-

১)বিন্দুসেচ (Drip Irrigation) স্থাপন-      ব্যাক্তি মালিকানার ফল বাগিচায় বিন্দুসেচ (DripIrrigation)স্থাপনের অর্থ দেওয়া হবে|  বেশীরভাগ বাগানে সেচ দেওয়া হয়না এবং এর ফলে ফলের উত্পাদনকমে যাচ্ছে|  প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য খরচের ২৫ শতাংশ সব্বর্চ ৮,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে|

 

২)সরকারী ক্ষেত্রে বিন্দুসেচ (Drip Irrigation) প্রর্দশনী-      চাষিভাইদের উত্সাহদানের সরকারী খামারে বিদ্যমান ফলবাগানে প্রর্দশনী করা হবে|  প্রতি প্রর্দশনীর জন্য ৪৩,০০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে|

 

৩)গ্রীনহাউস স্থাপন-    গ্রীনহাউস স্থাপন উদ্যানপালনের ক্ষেত্রে একটি নতুন উদ্যোগ ২৫ শতাংশ আর্থিক সহায়তা হিসাবে ৫০০ বর্গফুট গ্রীনহাউস নির্মানের জন্য ৩৫,০০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে|

 

৪) প্রশিক্ষণ-   প্রতি চাষিভাই পিছু ১২৫ টাকা হিসাবে কৃষকভাইদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে|

আবেদন পত্র

ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক
জেলা ...............
                                               বিষয় - বাগিচা ফসল চাষের জন্য অনুদানের আবেদন

 

মহাশয় ,
আমি ....................................   বাগিচা ফসল উত্পাদক প্রতিষ্ঠানের একজন
ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক৷  আমি ১৯৯৯ - ২০০০ আর্থিক বর্ষে ..........................
বাগিচা ফসল আবাদ করেছি৷  উক্ত আবাদের যে সমস্ত বিবিদ খরচ করেছি ও অন্যান্য
বিবরণ এই সঙ্গে পেশ করলাম৷

আবেদনকারীর প্রতিষ্ঠানের নাম ........................................................

গ্রামের নাম ......................    গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম .......................

পঞ্চায়েত সমিতি বি.ডি.ও-র কার্য্যালয় ......................... 

থানা ............  পোষ্ট .................   জেলা .............

যে যে বাগিচা ফসল আবাদ করেছেন তাদের নাম ও জমির পরিমাণ কত ও

এবং ১ম / ২য় / ৩য় বর্ষে খরচ কত ?

ক্রমিক সংখ্যা

জমির পরিমাণ

বাগিচা ফসলের নাম ও রোপনের তাং সহ

১ম / ২য় / ৩য় বর্ষে খরচ

 

 

উপরিউক্ত জমির বিবরণ-

মৌজার নাম

জে.এল.নং

খতিয়ান নং

দাগ নং

প্রকার

পরিমাণ

 

 

জমির মলিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্রের প্রত্যয়িত নকল এই সঙ্গে জমা দিতে হবে

 

উপরিউক্ত বাগিচা ফসল চাষের জন্য খরচ-

ফসলের নাম

লাঙ্গল দেওয়া/গর্ত

খোড়ার খরচ

 

জৈবসার/

অজৈবসারের

খরচ

 

বীজ,চারা

বাবদ

খরচ

 

সেচ

বাবদ

খরচ

 

পরিচর্যা/

ওষুধের

খরচ

 

ফসল

তোলার

খরচ

 

বিভিন্ন

খরচ

 

 

মোট খরচ- খরচের বিল, ভাউচার, রসিদ ইত্যাদির মূল কপি জমা দিতে হবে

সেচের ব্যবস্থা করে থাকলে তার খরচ (বিল ভাউচার সহ)

পলিগ্রীন হাউস করেছিল কিনা ?  করলে পলিগ্রীন হাউস এর এরিয়া ও খরচ কত ?

(বিল, ভাউচার ও রসিদ সহ)

 

আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে উপরিউক্ত তথ্যাবলী সত্য কখনো মিথ্যা প্রমাণিত

হলে টাকা সুদসহ ফেরত দিতে বাধ্য থাকিব

 

তারিখ :

                                            ............................................................

                                                                আবেদনকারীর স্বাক্ষর