উদ্যানজাত ফসলের উন্নয়নের
কৌশল |
|
বার্ষিক ম্যাক্রোমোড কর্ম পরিকল্পনার অধিনে বিভিন্ন প্রকল্প
২০০৪-০৫(উদ্যানজাত ফসলের) |
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

|
সব্জি উন্নয়ন প্রকল্প |
|
১) কীটনাশক বিতরণ- সব্জিতে সহজেই রোগপোকা লাগে এবং ফসল ভীষণ ভাবে
ক্ষতিগ্রস্থ হয়| সাথে সাথে ফলনও কমে যায়| রোগপোকা দমনের উদ্দেশ্যে খরচের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অনধিক
২৮০ টাকা প্রতি হেক্টর আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে| |
২) রপ্তানীযোগ্য
সব্জি/সঙ্কর বীজের উপর প্রর্দশনী- এই দপ্তরের অধীনে একটি সব্জি কৃষি রপ্তানী
অঞ্চল গঠিত হয়েছে| রপ্তানীযোগ্য সব্জি উত্পাদনে
চাষিভাইদের উত্সাহ দানের জন্য ক্যাপসিকাম,
ব্রোকোলি (সবুজ ফুলকপি), রেড়
ক্যাবেজ (লাল বাঁধাকপি) ফসলের প্রর্দশনীক্ষেত্র তৈরী করার সিন্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে| প্রর্দশনীরক্ষেত্রে মালিকগন সর্বাধিক
ব্রোকোলীর জন্য ৫,০০০ টাকা| রেড় ক্যাবেজের জন্য
৪,০০০টাকা| ক্যাপসিকামের জন্য ৩,০০০ টাকা
অথবা মূল খরচের ২৫ শতাংশ আর্থিক অনুদান হিসাবে পাবে| |
৩) সঙ্করবীজ বিতরণ-
সঙ্করবীজ চাষ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পের অধীনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক
চাষিদের সঙ্করজাত বীজ বিতরণ করা হবে| চাষি-ভাইয়েরা
এই বীজের জন্য অনধিক ১২০ টাকা পাবে| |
৪) মূল ও কন্দজাতীয় শস্যের
প্রর্দশনীক্ষেত্র- পশ্চিমবঙ্গে মূল ও কন্দজাতীয় সব্জি যেমন ওলচাষ হয়|মূল ও কন্দজাতীয় শস্যের উপর
প্রর্দশনীক্ষেত্র তৈরী করার করার জন্য
সিদ্ধান্ত হয়েছে| প্রতি প্রর্দশনীর জন্য মোট খরচের
২৫ শতাংশ অনধিক ২৫০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে দেওয়া হবে| |
৫) চাষিভাইদের
প্রশিক্ষণ- নতুন প্রযুক্তিতে চাষিদের উত্সাহদান ও
গ্রহনের জন্য কৃষক প্রশিক্ষণ দরকার|প্রতি একদিনের
প্রশিক্ষণের জন্য কৃষক পিছু ১২৫ টাকা হিসাবে
দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
৬)
এগ্রিক্লিনিক' স্থাপন-
মূলস্তরে চাষিদের সাহায্য করার জন্য এগ্রিক্লিনিক স্থাপন করা অত্যন্ত
জরুরি|এরজন্য কৃষি/উদ্যান
বিদ্যা স্নাতককে এই
ক্লিনিকে রাখা হবে| শস্য চিকিত্সক (Crop Doctor) মাইনেসহ মোট ৬,৫০০০ টাকা হিসাবে ধরা হয়েছে| |
৭)' সেড-নেট' স্থাপন-
পশ্চিমবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে সব্জিচারা উত্পাদিত হয়| সারা বছর ধরে সব্জিচাষের জন্য সল্পমূল্যের ' সেড-নেট' করা প্রয়োজন| 'সেড-নেট' স্থাপনের জন্য সর্বাধিক ৮,০০০টাকা হিসাবে আর্থিক অনুদান
দেওয়া যেতে পারে| |
|

|
ফুল উন্নয়ন প্রকল্প |
|
১)এলাকা সম্প্রসারন- এরাজ্যে ফুল
ভাল হয়, বাজারও ভাল| ফুল চাষের এলাকা বাড়ানোর
উদ্দ্যেশে রাজ্য সরকার গাঁদা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবেরা এবং গোলাপ
ফুলের চাষ এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্পের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে| ০.১ হেঃ জমিতে গাদা চাষের জন্য ২,০০০টাকা| ০.০৫ হেঃ জমিতে গ্ল্যাডিওলাস চাষের জন্য
১৫,০০০টাকা| ০.০৫ হেঃ জমিতে রজনীগন্ধা চাষের জন্য
৫,০০০টাকা| ০.০৫ হেঃ জমিতে জারবেরা চাষের জন্য
১৪,০০০টাকা| ০.০১ হেঃ জমিতে গোলাপ চাষের জন্য
১০,০০০টাকা হিসাবে আর্থিক সাহায্য দানের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে| |
২) সেড নেট এবং পলিগ্রীন হাউস স্থাপন- বিশেষ বৈজ্ঞানিক ভাবে সব্জি চারা
উত্পাদনে চাষিদের সেড নেট স্থাপনের জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে| ১০০ বর্গ ফুটের জন্য সব্বর্চ ৮০০ টাকা| যে সমস্ত চাষিভায়েরা পলিগ্রীন হাউস তৈরী করতে ইচ্ছুক
তাদেরও পলিগ্রীন হাউস তৈরী করার জন্য সব্বর্চ ৭০,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য
সহায়তা দেওয়া হবে| পলিগ্রীন হাউসের সাইজ হবে ১০০০
বর্গফুট | |
৩)পুষ্প প্রর্দশনীর আয়োজন- চাষিভাইদের ফুলচাষে উত্সাহিত করার উদ্দ্যেশ্যে
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পুষ্প প্রর্দশনীর আয়োজন করা এবং এক্ষেত্রে ১০,০০০ টাকা
আর্থিক সাহায্য দানের সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
৪)ফুলবাজার আধুনিকিকরণ- পাঁশকুড়ায় একটি ফুলবাজার স্থাপিত হয়েছে| বাজার উন্নয়নের জন্য ৯ লক্ষ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত
হয়েছে| |
৫) প্রশিক্ষণ- আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে
চাষিভাইদের উত্সাহিত করার জন্য একদিনের প্রশিক্ষণ শিবির করার জন্য এবং
কৃষকপ্রতি ১২৫ টাকা হিসাবে আর্থিক সাহায্যের সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
|

|
মশলা উন্নয়ন প্রকল্প |
|
১)গোলমরিচের কাটিং বিতরণ-চাষিভাইদের গোলমরিচ চাষের উত্সাহ দানের জন্য
প্রতি কাটিং ৩টাকা হিসাবে গোলমরিচের কাটিং বিতরণ করা হবে| |
২)প্রর্দশনী- আদা, হলুদ এবং লঙ্কা চাষের এলাকা উত্পাদন
শিল্প বৃদ্ধির উদ্যেশ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের প্রর্দশনী ক্ষেত্র
তৈরীর জন্য চাষের উপকরণ দেওয়া হবে|
প্রর্দশনী ক্ষেত্র খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক আদার জন্য ২,৫০০ টাকা, হলুদের জন্য
১,৬৫০ টাকা ও লঙ্কার জন্য ১,৪০০ টাকা দেওয়া হবে| প্রতিপ্রর্দশনীর ক্ষেত্রে এলাকা ০.২ হেক্টর| পান চাষের এলাকা বাড়ানোর জন্য পান প্রতি
৫ ডেসিমেল পান বোরজ প্রর্দশনী ক্ষেত্রের জন্য ১,০০০ টাকা আর্থিক
সাহায্য দেওয়া হবে| |
৩) কীটনাষক বিতরণ- মসলা ফসলকে রোগ পোকার দ্বারা ক্ষতি হওয়া
প্রতিরোধ করতে কীটনাষক বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| এক্ষেত্রে আদার জন্য
১১২.৫০ টাকা, হলুদের জন্য ৩,০০টাকা,
লঙ্কার জন্য ২,৫০ টাকা এবং প্রতি ৫ডেসিমেল পান বোরোজের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ
অনধিক ১,২৫০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে ধার্য করা হয়েছে| |
৪)প্রশিক্ষণ- চাষিভাইদের মসলা চাষের উত্সাহ দানের জন্য প্রশিক্ষণের
প্রয়োজন এক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য কৃষক প্রতি ১২৫ টাকা| |
|

|
কাজুবাদাম উন্নয়ন প্রকল্প |
১) নূতন ফল বাগিচা তৈরী- কাজুবাদাম একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
ফসল, এর চাহিদা দিনকে দিন বাড়ছে| অধিক জমিতে
কাজুবাদাম চাষের প্রস্তাব গ্রহণ করা হচ্ছে|
সুতরাং চাষের এলাকা সম্প্রসারণ দরকার এবং এর জন্য ২,১০০ টাকা প্রতি হেঃ আর্থিক
সাহায্য ধার্য করা হয়েছে| |
২)কাজুবাদাম নার্সারী স্থাপন- কাজুর জোড় কলমের চাহিদা বাড়ছে| কিন্তু জোড় কলম পাওয়া যায় না| নার্সারী মালিকদের কাজু জোড় কলম তৈরী করার জন্য
অর্থ সাহায্যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে|
এক্ষেত্রে প্রতি চারা পিছু ২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে| |
৩) পুরানো বাগানের পূর্ণজীবনীকরণ- (REJUVENATION ) পশ্চিমবঙ্গে
কাজুবাদাম একটি অবহেলিত ফসল| বেশীর ভাগ
বাগিচা পুরানো এবং অনুউত্পাদক| কাজু
বাগিচার পূর্ণজীবনীকরণের (REJUVENATION) উদ্দেশ্যে খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ৩,০০০ টাকা
/ হেঃ আর্থিক সাহায্যের সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
৪) কাজু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপনের সাহায্য- বেশীরভাগ কাজু
প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে অবৈজ্ঞানিক ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়| কাজু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের উন্নতিকরণ এবং উন্নত মানের
কাজু তৈরীর জন্য প্রতি কেন্দ্রের জন্য অনধিক ২৫,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান হিসাবে
দেওয়া হবে| |
৫) প্রশিক্ষণ- চাষিভাইদের কাজু উত্পাদনে এবং প্রক্রিয়াকরণে উত্সাহদানের
উদ্দেশ্যে ও বৈজ্ঞনিক প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য ৩দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ শিবিরের
আয়োজন করা এবং প্রতি চাষিভাই পিছু ২১০ টাকা হিসাবে খরচ ধার্য করা হয়েছে| |
|

|
ফল উন্নয়ন প্রকল্প |
|
১)ক্ষুদ্র নার্সারী গুলিকে সহায়তা- পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১৫০০০ নার্সারীর
মালিক আছে| কিন্তু তাদের ব্যাবস্থাপনা সন্তোষজনক
নয়| উচ্চমানের চারা, জোড় কলম,গুটি ইত্যাদি
উত্পাদনে নার্সারী পিছু ২৫,০০০ টাকা অনুদান হিসাবে দেওয়ার ব্যাবস্থা আছে| |
২)এলাকা সম্প্রসারণ- পেয়ারা, আম, লিচু, সবেদা, আনারস এবং কলার
(টিসু কালচার)চাষ এলাকা, উত্পাদন এবং উত্পাদনশিলতা বাড়াবার উদ্দেশ্যে এলাকা
সম্প্রসারণ প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে|
চাষিভাইদের কেবলমাত্র জোড় কলম দেওয়া হবে| এই
প্রকল্পে পেয়ারার জন্য অনধিক ৭,০০০ টাকা / হেঃ আম, লিচু এবং সবেদার জন্য অনধিক
১০,০০০ টাকা / হেঃ এবং কলা ও আনারসের জন্য ৩০,০০০ টাকা / হেঃ দেওয়ার জন্য
সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে| |
৩)পুরানো ফলবাগিচার পূর্ণজীবনীকরণ (REJUVENATION ) যথাযত পরিচর্যার অভাবে
বর্তমান পূরানো ফলবাগিচা গুলি নিস্তেজ এবং অনুউত্পাদক| উত্পাদন বাড়ানোর জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিভাইদের
খরচের ২৫ শতাংশ অনধিক ১,২০০ টাকা প্রতি হেক্টরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
৪)টিশুকালচার ল্যাবটারি সহায়তা দান- এই দপ্তর টিশুকালচার ফলের চারা তৈরীর
উদ্দেশ্যে কৃষ্ণনগরে যথারিতি একটি টিশুকালচার ল্যাবটরি স্থাপন করেছে| এই ল্যাবটারিকে সুসজ্জিত করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয়
যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২লক্ষ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে| |
৫)কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ- ফলগাছ বিশালাকার এবং ফল রোগ পোকা দ্বারা
নষ্ট হয়| ফল রক্ষার জন্য ফুটস্পেয়ার দরকার এবং
প্রতি ফুটস্পেয়ারের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ অথবা ৬০০ টাকা এবং প্রতি পাম্পসেটের
জন্য ৪,০০০ টাকা যেটি কম হবে, আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
৬)জিরো এনার্জি চেম্বার প্রদান- উদ্যানজাত ফল এবং সবজি
অতিদ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং ফসল তোলার পর ফল রক্ষা করা দরকার|বিজ্ঞানসম্মত ভাবে ফল
প্রস্তুতিকরণে উত্সাহদানে জিরো এনার্জি চেম্বার তৈরীর জন্য প্রতিটিক্ষেত্রে
অনধিক ২,৫০০ টাকা অথবা খরচের ২৫ শতাংশ অর্থ দানের সুপারিশ করা হয়েছে| |
৭)বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি উন্নয়ন- প্রতিদিনের উপর ভিত্তি করে
এলাকা উপযোগী ফলের প্রযুক্তি উন্নয়ন দরকার|নতুন
প্রযুক্তি উন্নয়নের যথেষ্ট সুযোগ আছ| এই কাজের জন্য
বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অনধিক ৫লক্ষ টাকা দেওয়া যেতে পারে| |
৮) উচ্চ মূল্যের রপ্তানীযোগ্য ফলের প্রর্দশনী ক্ষেত্র- এই দপ্তর যথারিতি
আম, লিচু এবং আনারসের কৃষি রপ্তানী অঞ্চল গঠন করেছে|রপ্তানীর সুযোগ বাড়ানোর জন্য রপ্তানীযোগ্য ফলের
উত্পাদনের উত্পাদন প্রযুক্তির উপর প্রর্দশনী ক্ষেত্র দরকার| মুশম্বি, কুল, ডালিমের জন্য ০.১ হেক্টরে ২,০০০ টাকা,
ঘেরকিন ও পেঁপের জন্য ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দানের প্রস্তাব দেওয়া
হয়েছে| |
৯)চাষিভাইদের প্রশিক্ষণ- উত্পাদন এবং প্রক্রিয়াকরণ উভয়
ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণ দরকার| এজন্য একদিনের কৃষক
প্রশিক্ষণের উপস্থিত কৃষকপিছু ১২৫ টাকা দেওয়া হবে| |
১০)অনুখাদ্য এবং গাছের বৃদ্ধিকারক হরমোন- অনুখাদ্য এবং
গাছের বৃদ্ধিকারক হরমোন অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হলেও অবহেলার বিষয় নয়| কিছু জেলায় ফল ফেটে যায় এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে ছত্রাকের
আক্রমণের লক্ষন প্রকাশ পায়| সেইজন্য এক হেক্টর জমির
জন্য প্রতি কৃষক পিছু ২,৬২৫ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা
হয়েছে| |
|

|
|
ভেষজ উদ্ভিদ উন্নয়ন
প্রকল্প | | |
১)প্রর্দশনী ক্ষেত্র- চাষিভাইদের উত্সাহ দানের এবং বেকার যুবক ও বেসরকারী
সংস্থা (N.G.O) গুলিকে কর্মে নিযুক্ত
করার উদ্দেশ্যে এরাজ্যে ভেষজ বাগানের প্রর্দশনীক্ষেত্র দরকার| প্রতিটি প্রর্দশনীক্ষেত্রের এলাকা ০.২ হেক্টর এবং প্রতি
প্রর্দশনী ক্ষেত্রের জন্য অনধিক ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
২)চাষ এলাকা সম্প্রসারণ- এলাকা এবং উত্পাদন বৃদ্ধির
উদ্দেশ্যে ভেষজ উদ্ভিদের চাষ এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্প গঠন করার সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে| খরচের ২৫ শতাংশ অথাবা সব্বর্চ
১২,৫০০ টাকা / হেক্টরে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
৩)ডিস্টিলেসন ইউনিট স্থাপন- সুগন্ধি গাছ বেড়ে ওঠা অবস্থায়
কাটা হয়| সুগন্ধিতেল নিষ্কাশনের জন্য বেসরকারী
সংস্থা, প্রতিষ্ঠান গুলিকে সহায়তা দেওয়া হবে| প্রতি
ইউনিটের জন্য খরচের ২৫ শতাংশ সব্বর্চ
২৫,০০ টাকা আর্থিক সহায়তা সিমাবদ্ধ করা
হয়েছে| |
৪)প্রশিক্ষণ-উত্পাদন এবং ডিস্টিলেসন বিষয়ে চাষিভাইদের প্রশিক্ষণ
দরকার| প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিচাষিভাই পিছু ১২৫ টাকা
খরচ| |
|

|
ছাতু (মাশরুম) উন্নয়ন প্রকল্প |
|
১)বিদ্যমান ল্যাবটারির সবলকরণ- এই দপ্তরে একটি
ছাতু (মাশরুম)উত্পাদন কেন্দ্র আছে| এই
কেন্দ্রটিকে সুসজ্জিত করতে আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৩
লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
২)স্পন উত্পাদন- স্পনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে| স্পন উত্পাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| প্রতি বোতলের জন্য ১০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
৩)ছাতু(মাশরুম) উত্পাদনের সাহায্য- উপজাতি ও অন্যান্য এলাকায় ছাতু
(মাশরুম) জনপ্রিয় করতে ২৫ শতাংশ আর্থিক সহায়তা দানের প্রস্তাব হয়েছে| সব্বর্চ ২৫,০০০ টাকা দেওয়া হবে| |
৪)প্রশিক্ষণ- ছাতু(মাশরুম) উত্পাদনের উপর ২ দিনের প্রশিক্ষণের
প্রস্তাব রাখা হয়েছে| প্রতি কৃষকপিছু ২৫০ টাকা
আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
|

|
কৃষিতে প্লাস্টিকের ব্যবহার- |
১)বিন্দুসেচ (Drip
Irrigation) স্থাপন- ব্যাক্তি
মালিকানার ফল বাগিচায় বিন্দুসেচ (DripIrrigation)স্থাপনের অর্থ দেওয়া হবে| বেশীরভাগ বাগানে সেচ দেওয়া হয়না এবং এর ফলে ফলের
উত্পাদনকমে যাচ্ছে| প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার
জন্য খরচের ২৫ শতাংশ সব্বর্চ ৮,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে| |
২)সরকারী ক্ষেত্রে
বিন্দুসেচ (Drip Irrigation)
প্রর্দশনী- চাষিভাইদের উত্সাহদানের সরকারী
খামারে বিদ্যমান ফলবাগানে প্রর্দশনী করা হবে|
প্রতি প্রর্দশনীর জন্য ৪৩,০০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা
হয়েছে| |
৩)গ্রীনহাউস
স্থাপন- গ্রীনহাউস স্থাপন উদ্যানপালনের ক্ষেত্রে একটি
নতুন
উদ্যোগ ২৫ শতাংশ আর্থিক সহায়তা হিসাবে ৫০০ বর্গফুট গ্রীনহাউস নির্মানের জন্য
৩৫,০০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে| |
৪) প্রশিক্ষণ-
প্রতি চাষিভাই পিছু ১২৫ টাকা হিসাবে কৃষকভাইদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে| |
|

|