|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|
খাদ্য প্রয়োগ |
গলদা চিংড়ি সাধারণত নিশাচর। এরা দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকে আর রাতে বিচরণ করে। জলের নীচে প্রানী বা উদ্ভিদ জাতীয়, টাটকা বা পচনশীল যা পায় সবই খায়। খাদ্যের উপাদান হিসাবে দেওয়া হয়। চালের খুদ, গমের ভূষি, বাদাম খইল, সয়াবিনের খইল, ফিসমিল, কুচো চিংড়ির গুড়ো, কুচো মাছ, ঝিনুকের মাংস, গেড়ি গুগলির মাংস ইত্যাদি। উদ্ভিজ্জ্য ও প্রানীজ খাদ্য্ ১:৩ অনুপাতে মিশিয়ে ও চিংড়ির খাবার তৈরী করে খাবার হিসাবে দেওয়া হয়। অবশ্য খাদ্য প্রয়োগের পরিমাণ নির্ভর করে পুকুরের স্বাভাবিক খাদ্য উপস্হিতি ও মজুত চারার পরিমানের উপর। বড় চারাকে মধ্য রাত্রে একবার খাবার দিতে পারলে ভাল হয়। অন্যথায় দৈনিক বিকেলে একবার খাদ্য দিলেই চলে। চওড়া পাত্রে বা ট্রে জাতীয় পাত্রে মন্ডের আকারে ঢেলা করে পুকুরের কিনারে অগভীর জলে ডুবিয়ে রাখা হয়। |
|
|
||||||||||||||||||||||||||||
চিংড়ি চাষে পরিপূরক খাদ্যের তালিকাপরিপূরক খাদ্যের একটি তালিকা দেওয়া হল :
বি:দ্র: - চওড়া মাটির পাত্রে বা ট্রেতে মন্ডের আকারে খাবার দিলে ভাল হয়। দুই ঘন্টার মধ্যে খাবার শেষ হয়ে গেলে খাবারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। দুই ঘন্টার মধ্যে খাবার শেষ না হলে খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে। |
|
|
ফসল তোলা এবং বাজারজাত করাসাধারণত: খেপলা জাল ব্যবহার করে চিংড়ি ধরা হয়। কখনো কখনো ৪-৫ সেমি ফাঁসের বেড়াজাল দিয়ে পুকুরে জাল টেনে চিংড়ি ধরা হয়। এতে জলের তলদেশ ঘুলিয়ে যাওয়ার চিংড়ির মৃত্যু হতে পারে। সম্পূর্ণ ফসল তোলা একমাএ জল নিকাশ করেই সম্ভব। মাছ ধরার কাজ সকালে শুরু করে দুপুরের আগে শেষ করা উচিত। পুকুর থেকে তোলার পর চিংড়ি কয়েক ঘন্টা বাঁচে। ফলে বাজারজাত করার সুবিধা হয়। এছাড়া ঝুড়ির মধ্যে জলজ উদ্ভিদ চাপা দিয়ে চিংড়ি গুলিকে টাটকা অবস্হায় বাজার জাত করা যায়। আবার জল ছিটিয়ে বা বরফকুচি চাপা দিয়ে টাটকা অবস্হায় বাজার জাত করা যায়। |
|
|
রোগের হাত থেকে বাচঁতেঅক্সিজেনের ঘাটতি,
তাপমাত্রা অস্বাভাবিকতা, সংখ্যায় বেশী ছাড়া ইত্যাদি কারণে চিংড়ির মড়ক হতে পারে।
চিংড়ির রোগ তার সমস্যা ও তার নিবারণের জন্য এখন ও পর্যন্ত
তেমন কোন গবেষণালব্ধ হয়নি। তাই চিংড়ির রোগে
মড়কের হাত থেকে রক্ষা পেতে বা রোগ প্রতিরোধে এই পদক্ষেপ প্রয়োজন-
|
পুকুরের উত্পাদন ক্ষমতা, জলীয় পরিবেশ, আকার, চারা মজুতের হার খাদ্য পরিবেশন, আবহাওয়া ইত্যাদির উপর গলদা চিংড়ি বৃদ্ধিই ও বাচাঁর পরিমাণ নির্ভর করে।চারা মজুতের পর ফসল তোলা পর্যন্ত বাচাঁর হার বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভরশীল। পোষ্ট লার্ভা (১.১৫ সেমি) মজুত করে ঠিকভাবে পরিচর্যা করলে বাচাঁর হার ৫০% - ৭০%। ২/৩ মাসের জুভেলাইন চারার বাঁচার হার ৭০% - ৯০%। দীর্ঘকালীন চাষের চেয়ে কম সময়ের চাষে বাচাঁর ও উত্পাদনের পরিমান বেশী। ৩-৮ মাসের সাধারণ চাষে বাচাঁর আর ৫০% এবং ৬-৮ মাসের চাষে বাচাঁর হার ৩০% - ৪০%। মিশ্র চাষে হেক্টরে দুটি ফসলে ২×১৫০০০ চিংড়ির চারা মজুত করে বত্সরে ৮৫০-৬০০ কেজি চিংড়ি পাওয়া যায় এবং তার সাথে অন্যান্য মাছ থেকে পাওয়া যায় ১৫০০-২২০০ কেজি। একক চিংড়ি চাষ সঠিক পদ্ধতিতে করলে প্রতি হেক্টরে ২×৫০,০০০ চারা মজুত করে বত্সরে ১৫০০-২২০০ কেজি উত্পাদন হবে। |
চিংড়ির চাষে জল ও মাটির গুণাগুণ |
||||||||||||||||||
১) অল্প সংখ্যক চিংড়ীর চারা এবং কম পরিমাণে আহারদান- যথেষ্ট পরিমাণ জৈব পদার্থ জলাশয়ের তলায় জমতে দেয় না। যাই হোক চিংড়ী চারার উপযুক্ত জীবন ধারন এবং বেঁচে থাকার জন্য জলাশয়ের তলাকার মাটিকে বিশেষ অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে। সবচেয়ে ভাল উপায় হল পুকুর বা জলাশয়কে সম্পূর্ণ শুকনো করে ফেলা। এ অবস্থা জৈব পদার্থের সঙ্গে খনিজ পদার্থে সংযোগ (mineralisation of organic) ঘটাবে।২) মাটির pH (অম্লত্ব বা ক্ষারত্ব পরিমান) সংশোধনের ক্ষেত্রে চুন প্রয়োগ একটি ভাল উপায়। এটা জীবানু নাশকও বটে। জমিতে অন্য খনিজ উপাদানের সংযোগ ঘটাতেও সাহায্য করে। যদি মাটির pH এর মান ৭.৫ এর নীচে না থাকে তাহলে কমপক্ষে ৩০০-৫০০ কিলো চুন প্রতি হেক্টরে দেওয়া যেতে পারে। মাটির pH এর মান যেখানে কম অর্থাত যেখানে মাটির pH এর মান ৩ সেখানে কি ধরনের চুন ব্যবহার করা হবে, তার উপর নির্ভর করে চুন প্রয়োগ করতে হবে। কি ভাবে মাটিতে পাথুরে চুন এবং ভেজা মেশানো চুন ব্যবহার হবে তার নির্দেশ বর্ণিত হল। |
||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||
সার প্রয়োগের মাত্রা (যা মাটির জৈব কার্বণের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে) |
||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||
৪) একই ভাবে মাটির নাইট্রোজেন এবং ফসফরাস এর পরিমাণের ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক সার দেওয়া যেতে পারে। |
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||
পর্যাপ্ত নাইট্রোজেনের উপর নির্ভর করে ইউরিয়ার ব্যবহার |
||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||
পর্যাপ্ত ফসফরাসের উপর নির্ভর করে সুপার ফসফেটের ব্যবহার |
||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||
|
|
||||||||||||||||||