জলাভূমি সংরক্ষণ ও ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ আক্ট,১৯৮৪ |
|||
|
|
|
||
জলাভূমি সংরক্ষণ কেন |
জলাভূমি কিভাবে সংকুচিত হচ্ছে |
||
জলাভূমি কি প্রয়োজনে লাগে |
কিভাবে জল দূষণ হচ্ছে |
||
জলাভূমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে মত্স্য দপ্তর |
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ আক্ট, ১৯৮৪ |
||
নিষেধাজ্ঞা |
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট, ১৯৯৩ |
||
জলাভূমির সদ্ব্যবহারের লক্ষ্যে মত্স্য দপ্তর |
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট,১৯৯৭ |
||
আইনের উদ্দেশ্য |
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট,১৯৯৮ |
||
আইনের বিধিনিষেধ -(মত্স্য উত্পাদক আইন ১৯৯৪) |
আইনের বিধিনিষেধ(মত্স্য আড়তদারী লাইসেন্স১৯৯৬) |
||
পশ্চিমবঙ্গ মত্স্য উত্পাদক লাইসেন্স, ১৯৯৪ এবং পশ্চিমবঙ্গ আড়তদার লাইসেন্স, ১৯৯৬ |
|||
|
|
|||
জলাভূমি সংরক্ষণ কেন |
|||
জলাভূমি প্রকৃতির দান। মানুষের নির্বুদ্ধিতায় সেই জলাভূমি আজ অস্তিত্বের সংকটে বিপন্ন। আর এই সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে চাই শুভ বুদ্ধির বিকাশ চাই সংরক্ষণ। |
|||
জলাভূমি কিভাবে সংকুচিত হচ্ছে |
|||
১) নগরায়ন এবং ক্রমবর্দ্ধমান বিপুল
জনরাশির বাসস্থানের সংস্থান করতে জলাশয় এবং ছোট ছোট পুকুর ভরাট করা হচ্ছে।
|
|||
জলাভূমি কি প্রয়োজনে লাগে |
|||
১) জলের অপর নাম জীবন। জলাভূমি
প্রকৃত অর্থে জীবনের ধারক।
|
|||
৬) ১ বর্গ কিলোমিটার জলাশয় ৮০ জন মত
মানুষের অক্সিজেনের যোগান দেয়।
|
|||
১৩) জলাভূমির উত্পন্ন মাছ ও চিংড়ি
মাছ রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা অর্জিত হয়।
|
|||
কিভাবে জল দূষণ হচ্ছে |
|||
১) কলকারখানার বর্জ্য পদার্থ,
রাসায়নিক মিশ্রণ এবং শহরের পয়ঃপ্রণালী নিঃসৃত ময়লা জল সরাসরি নদী এবং বড়
জলাশয়ে নিক্ষেপ করা হচ্ছে।
|
|||
৩) শহরের আবর্জনা জলাভূমিতে পচনের ফলে উদ্ভুত মিথেন গ্যাস জল ও বায়ুমন্ডলের পরিবেশকে দূষিত করছে।
.৪) তাপ
বিদ্যুত কেন্দ্র থেকে নির্গত উত্তপ্ত জল সরাসরি জলাধার এবং নদীতে ফেলা হচ্ছে। ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জলজ প্রাণীর জীবন সংশয় ঘটছে এবং জলজ উদ্ভিদের
পচনের ফলে জল দূষণ ঘটছে।
|
|||
জলাভূমি সংরক্ষণের লক্ষ্যে মত্স্য দপ্তর |
|||
কেবলমাত্র গণচেতনা বৃদ্ধির মাধ্যমে জলাভূমি সংরক্ষণ সম্ভব নয়। মুনাফার লোভে বা অন্য কারণে যারা জলাভূমির বিনাশে সচেষ্ট তাদের দৃঢ় হাতে দমন করতে কয়েকটি বলিষ্ট আইন প্রণয়ন করে সারা ভারতের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মত্স্য দপ্তর এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। |
|||
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ আক্ট, ১৯৮৪ |
|||
বহুমালিকানাধীন জলাশয় যদি উপযুক্তভাবে রক্ষনাবেক্ষণ না করা হয় এবং যথাযথভাবে মাছ চাষ না করা হয় তবে এই আইনের ৮নং ধারায় প্রদত্তক্ষমতাবলে “উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ” (মত্স্য দপ্তরের জেলার ভারপ্রাপ্ত সহ মত্স্য অধির্কতা) জলাশয়টির নিয়ন্ত্রন ও পরিচালন কর্তৃত্ব ২৫ (পঁচিশ)বত্সরের জন্য নিয়ে নিতে পারবেন। পরবর্তি সময়ে জলাশয়টিকে উক্ত কর্তৃপক্ষ মাছ চাষের জন্য কোন রেজিষ্ট্রীকৃত সংস্থাকে/ গোষ্টীকে কমপক্ষে ১০ (দশ) বত্সর মেয়াদ কালের জন্য ইজারা দেবার ব্যবস্থকরবেন। |
|||
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট, ১৯৯৩ |
|||
এই সংশোধিত আইনের বলে ১৯৮৪ সালের আইনের সঙ্গে ১৭(ক) ধারা সংযোজিত হয়েছে। এই সংশোধনিতে কোন পুকুরের মালিক / মালিকগণকে জলাশয় খন্ডিতকরণ বা ভরাট করা থেকে নিবৃত করা হয়েছে। |
|||
নিষেধজ্ঞা |
|||
১) পুকুর পাড় সহ ৫ (পাঁচ) কাঠা অথবা
তার বেশী মাপের কোন শ্রেণীভূক্তপুকুর/ ডোবা/ জলাশয় ভরাট করা যাবে
না।
|
|||
কোন ব্যক্তি/ ব্যক্তিগণ আইন লঙ্ঘন
করে জলাশয় ভরাট করেন বা করার প্রয়াস পান তবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ এই আইনের ২ নং
উপধারা অনুযায়ী আইনভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
|
|||
ক) পৌর এলাকা - পৌরসভার নির্বাহী
আধিকারিক।
|
|||
সংশ্লিষ্ট আইনের ১০ নং ধারায়
প্রদত্ত ক্ষমতাবলে “উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ” আইনভঙ্গকারী/দের বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত
দন্ড বিধানের অধিকারী।
|
|||
২৷ “জলাশয়টি” পূর্বাবস্থায় (সংস্কার
করে ) ফিরিয়ে না আনলে “উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ” জলাটির “নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালন”
দায়িত্ব নিয়ে নেবেন এবং সংস্কার সাধন করবেন। সংস্কারের সমুদায় ব্যয় “জলাশয়”
মালিককেই বাধ্যতামূলক ভাবে বহন করতে হবে।
|
|||
এই আইন লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি/ব্যক্তিগণ দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি হিসাবে ২(দুই) বত্সরের জন্য কারাবাস এবং /অথবা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা জরিমানা হইবে। |
|||
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট,১৯৯৭ |
|||
এই সংশোধনী বলে ১৯৮৪ সালের আইনের ১৭ (ক) ধারার সঙ্গে ১২ নং উপধারা সংযোজিত হয়েছে। এই সংশোধনী অনুসারে ৫(পাঁচ) কাঠা বা তার বেশী মাপের পুকুর/ডোবা/জলাভূমি “ভরাট করার অপরাধ” কে “জামিন অযোগ্য আদালতগ্রাহ্য অপরাধ” (Coginzable & nonbailable ) বলে গন্য করা হবে। |
|||
জলাভূমির সদ্ব্যবহারের লক্ষ্যে মত্স্য দপ্তর |
|||
জলাভূমি সদ্ব্যবহার ও উন্নয়নের জন্য মত্স্য দপ্তর আইন প্রনয়ণ এবং বিভাগীয় প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। |
|||
ওয়েষ্টবেঙ্গল ইনল্যান্ড ফিসারিজ (আমেন্ডমেন্ট) আক্ট,১৯৯৮ |
|||
১) কোন ব্যক্তি একক ভাবে বা দলগত
ভাবে বছরের কোন সময়েই উন্মুক্ত জলাশয় যেমন নদী, খাল অথবা এই ধরনের জলাশয় থেকে
মাছ ধরার জন্য ১২ মিলিমিটার অথবা তার নিম্নে কোন ফাঁসের জাল, চট জাল অথবা
অন্য কোন মাছ ধরবার জাল ব্যবহার করতে পারবেন
না।
|
|||
৪) কোন ব্যক্তি এককভাবে অথবা দলগত
ভাবে কেবলমাত্র বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষণা ছাড়া প্রজননক্ষম মাছ অনুন্য দেড় বছর
বয়স অথবা এক কেজির কম ওজন অথবা কমপক্ষে ৩৫ সেমি. দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট নয় সে সমস্ত
আই.এম.সি (I.M.C.) মাছের প্রজনন করতে পারবেন
না।
|
|||
পশ্চিমবঙ্গ মত্স্য উত্পাদক লাইসেন্স, ১৯৯৪ এবং পশ্চিমবঙ্গ আড়তদার লাইসেন্স, ১৯৯৬ |
|||
সংবাদপত্র, রেড়িও এবং টেলিভিশন মারফত সমস্ত জনসাধারণকে ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গ মত্স্য উত্পাদক লাইসেন্স ১৯৯৪ এবং মত্স্য আড়তদার লাইসেন্স ১৯৯৬ চালু হয়েছে। এই আইনকে অত্যাবশ্যকায় পন্য আইনের অধীনে আনা হয়েছে। |
|||
আইনের উদ্দেশ্য |
|||
পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বাজারে মাছের যোগান বৃদ্ধি এবং মূল্যনিয়ন্ত্রন করাই এই আইনের মূল লক্ষ্য। শুধু বন্টন ব্যবস্থা চালু রাখা, চাহিদার সাথে যোগানের সুসামজস্য রাখাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য যাতে করে সমস্ত মানুষ তার নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যে থেকেও মাছ ক্রয় করতে পারেন। মত্স্যচাষী ও আড়তদারদের সাথে সরকারী কার্য্যালয়ের নিবিড় যোগাযোগ রাখাও এর লক্ষ্য। |
|||
আইনের বিধিনিষেধ -(মত্স্য উত্পাদক আইন ১৯৯৪) |
|||
পশ্চিমবঙ্গ মত্স্য উত্পাদক আইন অত্যাবশ্যকীয় পন্য আইন ১৯৫৬ অনুযায়ী চালু হয়েছে।৫ (পাঁচ) হেক্টর অথবা ৩৭১/২ বিঘা পাড় সমেত জলা থাকলে এই লাইসেন্সের আওতায় আসবে। |
|||
কোন উত্পাদনকারী এই
লাইসেন্স ব্যতীত মত্স্য উত্পাদন ও ব্যবসা করলে তার ৩ মাস হতে ৭ বছর পর্যন্ত
অজামিনযোগ্য জেল হতে পারে।
|
|||
আইনের বিধিনিষেধ (মত্স্য আড়তদারী লাইসেন্স ১৯৯৬) |
|||
পশ্চিমবঙ্গ অত্যাবশ্যকীয় পন্য আইন
অনুযায়ী এই আইন চালু হয়েছে।
|
|||