বিধি
|
নিষেধ
|
সমস্ত জঙ্গল সাফ করে এবং আগাছা নির্মূল করে তবেই পুকুরে ডিমপোনা
ছাড়বেন।
|
জঙ্গল ও আগাছা থাকলে ডিম ছাড়বেন
না। জঙ্গলে বাড় নষ্ট হবে,
মাছ ধরা যাবে না এবং আমাছা সব ডিম পোনা খেয়ে
ফেলবে।
|
পুকুরে উপযুক্ত সার প্রয়োগ করুন এবং সার প্রয়োগের আগে চূণ দিন।
|
পরিমাণের বেশী সার দেবেন
না। রাসায়নিক সার ব্যবহার না করাই
ভাল।
|
ডিম পোনার খাদ্যের উপযুক্ত যথেষ্ট প্রাণীকণা জন্মালে তবে ডিম
ছাড়ুন।
|
ঘন সবুজ কণায় পুকুর ছেয়ে গেলে ডিম ছাড়বেন
না।
|
ডিম ছাড়ার
পুর্বে সাবান তেল মিশ্রণ অথবা কেরোসিন তেল প্রয়োগে
সমস্ত পোকামাকড় মেরে ফেলুন।
|
পোকামাকড় না মেরে ডিম ছাড়বেন
না। ঝড় বৃষ্টির মধ্যে বা বেশী
বাতাস থাকলে তেল সাবান মিশ্রণ বা কেরোসিন তেল প্রয়োগে কোন ফল হয়
না।
|
কমপক্ষে তিনদিন বয়সের এবং উপযুক্ত পরিমাণ মত ডিমপোনা আঁতুড়
পুকুরে ছাড়ুন।
|
পরিমাণের বেশী ডিম ছাড়া উচিত নয়। বাড় ও সংখ্যায় কমে যায়।
|
পুকুরের জল ঠান্ডা থাকলে তখন ভাল করে সইয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে
ডিমপোনা ছাড়বেন।
|
হঠাত্ ডিম এনে পুকুরে ঢেলে দিবেন
না। দুপুরের গরম জলে ডিম
ছাড়বেন না।
|
স্বাভাবিক খাদ্যের ঘাটতি মিটানোর জন্য পরিপূরক খাদ্য নিয়মিত
মিহি গুড়া করে ছড়িয়ে দিবেন।
|
পরিপূরক খাদ্য না দিয়ে বসে থাকবেন
না। মাছের বাড় ও সংখ্যা হবে।
|
মাছের ব্যায়ামের ও পুষ্টির জন্য ১/৪" ফাঁসের জাল পুকুরে ডিম
পোনা ছাড়ার পাঁচদিন পর থেকে মাঝে মাঝে টানবেন।
|
ডিম পোনা ছাড়ার ১০ দিনার মধ্যে চট জাল দেবেন না।
|
১৫-২০ দিনের মধ্যে সমস্ত চারা পোনা সকালের দিকে ধরে বিক্রয় বা
বিলি করে ফেলুন।
|
চারা পোনা বিক্রি বা বিলি করিতে অযথা দেরী করবেন না এবং
দুপুরের গরমে চারা পোনা কখনও তুলবেন
না।
|
একই পুকুরে অন্ততঃ ৪-৫ বার চারা পোনা তোলার ব্যবস্থা করুন। আয়
বেশী হবে।
|
পুকুর পতিত রাখবেন
না। এতে আপনারই ক্ষত।
|