|
হাঁস পালন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
গ্রাম বাংলায় খাল, বিল, নদী, নালা, ছোট বড় পুকুর ডোবার অভাব নেই৷ এর ফলে এখানে হাঁস চাষ করার পরিবেশ যথেষ্ট অনুকুল৷ তার কারণগুলি হল- |
১) পরিবার ভিত্তিতে চাষ করলে এর জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজন হয় না বা খুব
কম প্রয়োজন, এরা জলাশয় থেকে নিজেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য নিজেরাই সংগ্রহ করতে
পারে৷
২) এদের রোগ ব্যধি মুরগীর তুলনায় খুবই কম৷
৩) বর্তমানে মিশ্রচাষ খুব জনপ্রিয় ও অর্থকরী পদ্ধতি৷
এতে হাঁসের সাথে মাছ চাষ করা হয়৷ তাতে যেমন
হাঁসের বিষ্ঠা থেকে
মাছ তার প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে
তেমনি হাঁসও জলাশয় থেকে
পায় তার প্রয়োজনীয় আহার ও পুষ্টি৷
৪) উন্নত প্রজাতির হাঁসের থেকে পাওয়া যায় যেমন প্রচুর ডিম, তেমন
মাংসও৷ এই ডিমের পুষ্টি মূল্য মুরগীর ডিমের পুষ্টি
মূল্যের সমান উপরন্তু ডিম ও মাংস অনেক সুস্বাদু৷ |
|

|
হাঁসের প্রকার ভেদ |
পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের হাঁস পাওয়া যায়৷
যেমন- |
১) বেশী ডিম পাড়া হাঁস- খাঁকী ক্যাম্বেল, বালি, ইন্ডিয়ান রানার
রাফঅরপিংটন৷ |
২) বেশী মাংস পাওয়া যায় এমন হাঁস- এলিসবেরি, পেকিন, মাসকভি, রোঁয়েন৷ |
সাধারণ ভাবে হাঁসের আয়ু ১২ বত্সর৷ ডিম ফুটে বাচ্চা
হওয়ার সময় ২৮ দিন৷ শুধু
মাসকভির বেলায় ৩৫ দিন৷ |
বর্তমানে গ্রাম বাংলার আবহাওয়া, পরিবেশ, জলাশয়ের পরিমাণ ও আর্থসামাজিক
পরিস্থিতিতে খাঁকী ক্যাম্বেল চাষই হবে সব থেকে
লাভজনক৷ |
|

|
খাঁকী ক্যাম্বেল চাষের কারণ |
১) এটি একটি সংকরায়ন পদ্ধতিতে উত্পন্ন উন্নত প্রজাতির হাঁস৷ ১৯০০ সালে ইন্ডিয়ান রানার, ওয়াইল্ড ম্যালারড ও ফ্রান্সের
রোঁয়েনের মধ্যে সংকরায়ন ঘটিয়ে সৃষ্টি করা হয়৷ |
২) এই হাঁস ১২০ - ১৩০ দিনেই ডিম পাড়তে শুরু করে যা অন্যান্য হাঁসের
তুলনায় অনেক আগে৷ |
৩) উপযুক্ত পরিচর্যা থাকলে বত্সরে ২৮০ - ৩০০টি ডিম দিতে পারে৷ |
৪) এদের জন্য বড় জলাশয়ের দরকার হয়
না, শুধুমাত্র স্নান করার মত জল ও জলের
গভীরতা থাকলেই যথেষ্ট, বরং খুব বেশী সাঁতার কাটলে এদের ডিম পাড়ার হার কমে
যায়৷ |
৫) হাঁস ছেড়ে পুষলে ৭০ - ৮০ ভাগ খাবার নিজেরাই যোগাড় করে নেয়৷ |
৬) এদের বিষ্ঠা মাছের সুখাদ্য৷ |
একটা পুর্ণ বয়স্ক হাঁসের ওজন- ২.২ কেজি৷ |
একটা পুর্ণ বয়স্ক হাঁসীর ওজন- ২.০ কেজি৷ |
একটা যুবক হাঁসের ওজন- ২ কেজি৷ |
একটা যুবতী হাঁসীর ওজন- ১.৮ কেজি৷ |
|

|
বাসস্থান কেমন হবে |
যে কোন রকম খামার করতে গেলে প্রথমেই যা দরকার তা হল তাদের জন্য ঘর বা
আবাস স্থল৷ হাঁস উড়তে পারে
না৷ তাই বাসস্থান তৈরী করার সময় মনে রাখতে হবে এদের নিরাপত্তার
কথা৷ |
শুধুমাত্র ডিম পাওয়ার জন্য অল্প সংখ্যক হাঁস পুষলে ছেড়ে বা আংশিক ছেড়ে
পোষাই অধিক লাভজনক৷ ঘর বা বাসস্থান তৈরী করার আগে কোথায়
ঘর তৈরী করা হবে তার জায়গা নির্ধারণ করার দরকার হয় কতগুলি বিষয়ের উপর দৃষ্টি
রেখে৷ যেমন- |
১) জায়গাটা হতে হবে উঁচু যাতে অতিরিক্ত জল সহজে নিষ্কাশিত হতে
পারে৷ |
২) ঘরে বিক্ষিপ্ত সুর্যালোক পৌঁছানো দরকার যাতে মেঝে যেমন শুকাতে পারে
তেমনি রোগ জীবাণুও ধ্বংস হয়৷ |
ঘর তৈরী করার সময় কতগুলি জিনিসের উপর বিশেষ নজর দিতে হয়- |
১) ঘরের মেঝে দুরকম ভাবে করা সম্ভব৷ যেমন ধাতব
তারজালি দিয়ে ও পাকা মেঝে৷ হাঁসের বিষ্ঠাতে জলীয় ভাগ
অত্যন্ত বেশী৷ তাই পাকা মেঝে বা তার লিটার ভিজে গেলে রোগ
হওয়া ও ছড়ানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত বেড়ে যায়৷ |
২) কত বড় ঘর তৈরী হবে তা নির্ভর করে কত সংখ্যক হাঁস রাখা হবে৷ ঘরের মেঝের আকার কেমন হবে তার একটা হিসাব দেওয়া
হল-
বয়স (সপ্তাহ) |
তারজালির মেঝে |
পাকা মেঝে |
০ - ১ |
১/৪ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
১/২ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
১ - ২ |
১/৩ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
৩/৪ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
২ - ৩ |
১/২ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
১ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
৩ - ৪ |
২ - ২.৫ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
২ - ২.৫ বর্গফুট হাঁস প্রতি |
পূর্ণ বয়স্ক |
- |
৪ - ৫ বর্গফুট হাঁস প্রতি | |
|

|
হাঁস পালন পদ্ধতি |
হাঁসের প্রতিপালনকে মোটামুটি বয়স ও প্রকৃতি হিসাবে তিন ভাগে ভাগ করা
হয়৷ যেমন- ১) আতুড়
ঘরে পালন
(ব্রুডার রেয়ারিং), ২) বড় হওয়ার জন্য প্রতিপালন (গ্রোয়ার রেয়ারিং) ও ৩)
ডিমপাড়া হাঁসের প্রতিপালন (লেয়ার রেয়ারিং)৷ |
১) আতুড় ঘরে পালন- এটি হল ১ - ৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত৷ একদিনের বাচ্চাকে একটা বিশেষ তাপমাত্রার মধ্যে রাখতে হয়৷ এই ব্রুডারের তাপমাত্রা ৯০ডিগ্রী - ৯৫ডিগ্রী ফারেনহাইট দিয়ে
শুরু করতে হয় এবং প্রতি সপ্তাহে ৫ডিগ্রী ফারেনহাইট করে কমাতে হয় যতক্ষণ না
৭৫ডিগ্রী ফারেনহাইট এ পৌঁছায়৷ এই তাপ ধরে রাখতে
ইলেকট্রিক বাল্ব ব্যবহার করা হয়৷ না থাকলে কেরোসিনের
হ্যারিকেন ও ব্যবহার করা যায়৷
এই তাপকে ধরে রাখতে একটা টিন বা কাডবোর্ডের তৈরী বেড়া (গার্ড) ব্যবহার করা যেতে পারে৷ |
| |
২) বড়হাঁসের প্রতিপালন (৫ - ২০ সপ্তাহ)- আতুড় ঘর থেকে নিয়ে পালক হওয়া
হাঁসকে তিন ভাবে প্রতিপালন করা যায়৷ ক) পুকুরের
জল, খ) ডিপ লিটারে ও গ) রানযুক্ত ডিপ লিটারে৷ |
-
পুকুরের জলে- সাধারণ ভাবে প্রাকৃতিক পুকুরে পালন করলে এদের রাতে
থাকার জন্য ঘরের ব্যবস্থা করলেই হয়৷ এতে এদের জন্য
বিশেষ কোন খাবার দেওয়ার দরকার হয় না৷ |
-
ডিপ লিটারে- এতে চরবার জায়গার দরকার হয় না৷
শুধু মাত্র থাকবার জায়গা ও স্নান করার জন্য ৯ইঞ্চি গভীর ও ১.৫ইঞ্চি চওড়া
কৃত্রিম নালার দরকার৷ এদেরকে পুরোপুরি ম্যস জাতীয়
খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়৷ |
-
রান যুক্ত ডিপ লিটারে - এতে থাকার জায়গার বাইরে চরবার জন্য হাঁস
প্রতি চার বর্গফুট জায়গা ঘেরা থাকে৷ এখানেও স্নান
করবার জন্য নালার দরকার৷ এই পদ্ধতিতেও হাঁসকে তার
প্রয়োজনীয় খাবার দিতে হয়৷ |
৩) ডিম পাড়া হাঁসের পালন- ২০ সপ্তাহ বয়সে হাঁস ডিম দিতে শুরু করে৷ তখন খাবারে বেশী পরিমাণ ক্যালসিয়াম দিতে হয় কারণ ডিমের খোলা
এই ক্যালসিয়াম দিয়েই তৈরী হয়৷ এই সময় আলো ১৪ - ১৬
ঘন্টার মত দিতে হবে৷ কম করে একনাগাড়ে ২ - ২.৫ বত্সরে
২৯০ - ৩০০টি ডিম পাড়বে৷ তারপর আস্তে আস্তে উত্পাদন কমতে
শুরু করে৷ বত্সরে যখন পালক পড়ে তখনও উত্পাদনও কমে, তবে
সাময়িক ভাবে৷ |
|

|
হাঁসের প্রজনন |
হাঁস চার মাস বয়সেই প্রাপ্ত বয়স্ক হয়৷ শুধুমাত্র
ডিমের জন্য হাঁস পুষলে পুরুষ হাঁসের কোন দরকার হয় না৷
মাংসের জন্য হাঁস পুষলে এবং তার ডিম থেকে বাচ্চা নিতে গেলে স্ত্রী ও পুরুষ
হাঁসের অনুপাত হবে ৪:১৷ |
|

|
ডিম ফোটানো |
একটা হাঁসী এক সঙ্গে ১০ - ১২টার বেশী ডিম তা দিতে পারে না৷ তাই এক সঙ্গে বেশী ডিম ফোটাতে গেলে কৃত্রিম যন্ত্রের সাহায্য
নিতে হয়৷ যার নাম ইনকিউবেটর৷ বাড়ীতে অল্প ডিম ফোটাতে গেলে এই যন্ত্রের সাহায্য না
নিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে করা যায়৷ হাঁস ভাল তা দেয়
না৷ কিন্তু মুরগীর এই অভ্যাসটা খুব প্রবল৷ তাই মুরগী দিয়ে হাঁসের বাচ্চা অনায়াসে ফোটানো যায়৷ এখানে একটি মুরগী দিয়ে ১০ - ১২ টি ডিম তা এ বসালে
যথারীতি ২৮ দিনের মাথায় ডিম ফুটে বাচ্চা হবে৷ |
|

|
হাঁসের রোগ ও তার প্রতিকার |
সাধারণ ভাবে অন্যান্য পাখীর তুলনায় হাঁসের রোগ অত্যন্ত কম৷ হাঁসের রোগ হয়েছে তা কতগুলি লক্ষণ দেখে বুঝতে হবে৷ যেমন- |
-
খাওয়া বন্ধ করে দেয়৷
-
পায়খানার রঙের পরিবর্তন হয়৷
-
হাঁস ঝিমুতে শুরু করে৷
-
নাক ও চোখ দিয়ে জল পড়ে৷
-
পা ও ডানার পক্ষাঘাত হয়, খুঁড়িয়ে চলে৷ |
রোগ কি কি ভাবে ছড়াতে পারে- |
-
সুস্থ হাঁস রোগাক্রান্তর সংস্পর্শে আসলে৷
-
বায়ু বাহিত হয়ে৷
-
খাবারের সাথে৷
-
জলের মাধ্যমে৷
-
বন্য পাখীদের মাধ্যমে৷
-
ইঁদুর, ব্যাঙ প্রভৃতির মাধ্যমে৷
-
ডিমের মাধ্যমে৷ |
|
|
হাঁসের টিকা |
-
ডাক কলেরা- এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ৷
৪ - ৫ মাস বয়সের হাঁস আক্রান্ত হয়৷ এই
রোগের লক্ষণ ক্ষুধামন্দা, জ্বর, সাদা জলের মত বা হালকা সবুজ রঙের মল,
শ্বাসকষ্ট ও চলাফেরায় অসুবিধা হয়৷ |
চিকিত্সা-
সালফামেজাথিন (৩৩%) ৩০ মিলি ৫লিটার জলে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে৷ |
| |
-
ডাক প্লেগ- ভাইরাসজনিত এই রোগটি মাঝারি থেকে বয়স্ক হাঁসের মধ্যে
দেখা যায়৷ এই রোগের লক্ষণগুলি হল অবিন্যস্ত
পালক, ঝিমুনি, সবুজ জলের মত পায়খানা, চোখের পাতা ফুলে চোখে পিছুটি পড়া,
নাক দিয়ে জলপড়া, দুর্বল, হাটতে না পারা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি৷ |
চিকিত্সা-
এই রোগের ভাল কোন চিকিত্সা নেই৷ |
| |
-
আফলাটক্সিকোসিস- এটি একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ ছত্রাক জনিত রোগ৷ এই রোগের লক্ষণগুলি হল ক্ষুধামন্দা, আলস্যভাব,
ঝিমুনি, ডানা ঝুলে পড়া, খিচুনি, মেরুদন্ড ও ঘাড় ধনুকের মত পিছনে
বেঁকে যাওয়া, ডিম পাড়া বন্ধ করা প্রভৃতি৷
|
চিকিত্সা-
রোগ ধরা পড়লে প্রথমে খাবার পরিবর্তন করতে হবে৷
গ্লুকোজের জল দিতে হবে৷ প্রোটিন ও
ভিটামিনযুক্ত খাবার বেশী
পরিমাণে দিতে হবে৷ |
প্রতিরোধ- |
-
পানীয় জল ও খাবার পাত্র সব সময় ভাল করে শোধন করতে হবে৷ |
-
ভেজা ও পুরানো খাবার দেওয়া যাবে না৷
|
-
খাদ্যকে ভাল ভাবে শুষ্ক করে সংরক্ষণ করতে হবে৷
|
-
খাবারের সাথে ছত্রাকনাশক পদার্থ ব্যবহার করতে পারলে ভাল হয়৷ যেমন- জেনসিয়ান ভায়োলেট (২.০৫ ), প্রোপায়নিক
আসিড (০.০৫%) ইত্যাদি৷ |
| |
|
হাঁসের টিকার তালিকা |
নাম |
পদ্ধতি |
পরিমাণ |
বয়স |
ডাক কলেরা |
চামড়ার তলায় |
১ মিলি |
৩ - ৪ সপ্তাহ |
২ মিলি |
প্রথম টিকার এক মাস পরে |
ডাক প্লেগ |
চামড়ার তলায় |
১ মিলি প্রতি বত্সর |
৮ - ১২ সপ্তাহ | |
| |
|
|
হাঁসের খাবার |
হাঁসের ডিম দেওয়া, শরীর বৃদ্ধি এমন কী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ভর করে
সুষম এবং পরিমিত আহারের উপর৷ সাধারণত দিনে
২ বার খাবার দেওয়া হয়৷ প্রথম সপ্তাহে
বাচ্চা হাঁসকে শুকনো গুঁড়া খাবার দেওয়া হয়৷
দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভিজিয়ে দিতে হয় এতে খাবার কম নষ্ট
হয় এবং হাঁস সহজে গিলতে পারে৷ |
|
খাদ্য গুণ ও পরিমাণ হিসাবে |
বয়স |
খাদ্য |
ক্রুড প্রোটিন
(%) |
এনার্জি
( কি. ক্যা.) |
পরিমাণ |
৩ দিন থেকে ৩ সপ্তাহ |
ডাক স্টার্টার |
২১ |
২৮৫০ |
৪ গ্রা. থেকে শুরু করে ২১ দিনে দাঁড়ায় ৯০ - ১০০ গ্রা.
প্রতিদিন |
৪ সপ্তাহ থেকে ১৬ সপ্তাহ |
ডাক গ্রোয়ার |
১৭ |
২৯০০ |
১০০ গ্রা.- ১২০ গ্রা. প্রতিদিন |
১৬ সপ্তাহের বেশী |
ডাক লেয়ার |
১৮ |
২৮০০ |
১৩০ গ্রা.- ১৬০ গ্রা. প্রতিদিন | |
| |
|
খাদ্যের উপাদান ভিত্তিক ফর্মূলা |
উপাদান |
স্টার্টার
(০ - ৩ সপ্তাহ)
% |
গ্রোয়ার
(৪ - ১৬ সপ্তাহ)
% |
লেয়ার ১৬ সপ্তাহের বেশী
% |
ভাঙ্গা ভুট্টা |
২৫ |
৪০ |
৩০ |
ভাঙ্গা গম |
৩৫ |
২৫ |
২০ |
চালের কুড়া |
৮ |
১০ |
১৭ |
সয়াবিন খোল (তেলহীন) |
২৫ |
১৫ |
২০ |
শুকনো মাছ |
৫ |
৮ |
৮ |
খনিজ লবণ |
২ |
২ |
২ |
ঝিনুক লবণ |
- |
- |
৩ |
| |
১০০ |
১০০ |
১০০ | |
এর সঙ্গে মেশাতে হবে- |
ভিটামিন (A,
B2, D3) |
১০ গ্রাম |
ডেল্টামিন |
৩০০ গ্রাম |
কোলিন ক্লোরাইড |
৩৫ গ্রাম |
খাবারের উপাদান নির্ভর করে কী কী পাওয়া যায় তার উপরে৷
তবে উপাদানগুলির গুণ ও মান ভাল হতে হবে৷
|
|
|