বিধি
|
নিষেধ
|
সমস্ত জলাশয়েই মাছ চাষ করুন। মাছ চাষ আশাতীত লাভজনক।
|
কোন জলাশয় পতিত রাখবেন
না।
|
অবাঞ্ছিত সমস্ত উদ্ভিদ হতে
জলাশয়কে মুক্ত করুন।
|
জলাশয়ে অবাঞ্ছিত উদ্ভিদ
জন্মাতে দেবেন না, তাহলে মাছের বৃদ্ধি কমে যাবে, ধরতেও অসুবিধা হবে।
|
সমস্ত আগাছা এবং মত্স্যভূক
মাছ মেরে ফেলুন। এর জন্য মহুয়ার খইল ব্যবহার করুন।
যা পরে মাছের খাবার
তৈরীতে সাহায্য করবে।
|
পুকুরে আগাছা এবং
মত্স্যভূক মাছেদের প্রবেশ করতে দেবেন
না। কারণ এরা
আপনার চাষের মাছের ক্ষতি করবে। কোন রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ না করাই ভাল। পুকুরের ক্ষতি হতে পারে।
|
মহুয়া খইল প্রয়োগের বিষক্রিয়া
শেষ হলে মাছ ছাড়বেন।
|
জলে বিষক্রিয়া থাকলে মাছ
ছাড়বেন না।
|
মাছের ফলন বাড়াবার জন্য সার
প্রয়োগ অবশ্য করবেন। জৈব এবং অজৈব
দুরকম সারই নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহার
করবেন।
|
সার প্রয়োগ না করে মাছ চাষে
লাভ আশা করবেন
না। বিপরীত ফল হতে পারে।
|
সার প্রয়োগের আগে অবশ্যই চূণ
দেবেন।
|
সার প্রয়োগের পরে চূণ দেবেন
না। ভাল ফল পাবেন
না।
|
পুকুরের বিভিন্ন স্তরে
মিলেমিশে থাকতে পারে এমন সব বেশী বাড়ন্ত মাছ পুকুরে ছাড়বেন এবং নির্দিষ্ট
পরিমাণে ছাড়বেন।
|
পরস্পর প্রতিযোগী মাছ পুকুরে
ছাড়বেন না,
কমবেশী ছাড়বেন।
|
সুস্থ সবল পোনা ছাড়বেন। আশানুরূপ বাড় পেতে হলে সুষম পরিপূরক খাদ্য যথাবিধি প্রয়োগ করবেন।
|
দুর্বল বা রুগ্ন পোনা
ছাড়বেন না
দ্রুত বৃদ্ধি পরিপূরক খাদ্য ছাড়া সম্ভব
নয়।
|
মাঝে মাঝে জাল টেনে মাছের
বাড় ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন।
জাল দিলে মাছের ব্যায়াম হয় ও স্বাস্থ্য ভাল
থাকে।
|
পুকুরে মাঝে মাঝে জাল না টেনে
বসে থাকবেন না।
|
মাছ বাজারে বিক্রীর উপযোগী
হলেই বেচে ফেলুন।
|
এক বছরের বেশী মাছ পুষে
রাখবেন না।
তাতে লাভ নেই।
|