১)
পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া
⁄ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এবং উপকূল অঞ্চলে খাড়িতে যে সব
দেশী ও যন্ত্রচালিত নৌকা মত্স্য শিকারে নিয়োজিত, সেগুলিকে অতি অবশ্যই এই আইনে
রেজিষ্ট্রি করতে হইবে׀
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহ-মত্স্য অধিকর্তা (মেরিন), কাঁথি অফিস (মীনভবন)
ডায়মন্ডহারবার মেরিন অফিস হইতে আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফর্ম
MFR-I ও MFR-2 বিনামূল্যে পাওয়া যাইবে׀
|
রেজিষ্ট্রশন ফি-
|
ক) সমস্ত
রকমের দেশী নৌকা এবং ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাবিশিষ্ট যন্ত্রচালিত নৌকার
জন্য- ৩০ (তিরিশ) টাকা׀
খ) ৩০ হর্সপাওয়ারের বেশী ক্ষমতাবিশিষ্ট
যন্ত্রচালিত নৌকার জন্য- ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা׀
|
২)
মেদিনীপুর জেলার রেজিষ্ট্রিকৃত কোনও মাছধরা নৌকা দক্ষিণ ২৪ পরগণা অথবা উত্তর
২৪ পরগণা জেলার সংলগ্ন বঙ্গপোসাগর বা খাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিনের জন্য মত্স্য
শিকারে গেলে, যাত্রার ১০ দিনের মধ্যে মত্স্য অধিকর্তা (মেরিন) কাঁথি এবং
মত্স্য অধিকর্তা (মেরিন) ডায়মন্ডহারবারকে নির্ধারিত ফর্মে
(MFR-6) লিখিতভাবে অবশ্যই জানাইতে হইবে׀
মত্স্য শিকারের পর উক্ত নৌকা নিজ এলাকায় ফিরিয়া আসিলে ১০ দিনের মধ্যে
রেজিষ্ট্রেশন অফিসারকে উপরিউক্ত ফর্মে
(MFR-6) লিখিতভাবে জানাইতে হইবে׀
ঠিক একই রকমভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগণা বা উত্তর ২৪ পরগণা জেলার জন্য ডায়মন্ডহারবার
মেরিন অফিসে রেজিষ্ট্রেশন নেওয়া কোনও মাছ ধরা নৌকা মেদিনীপুর জেলার সংলগ্ন
খাড়ি বা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গেলে উভয় মেরিন অফিসে
MFR-6 ফর্মে জানাইতে হইবে׀
|
৩) (ক)
রেজিষ্ট্রিকৃত যন্ত্রচালিত নৌকার ক্ষেত্রে কেবিনের দুই পাশের ছাদের নীচে সাদা
রং-এর উপর কালো রং দিয়ে অন্তত পক্ষে ১৫ সেমি (৬ইঞ্চি) সাইজের ইংরাজী হরফে
নৌকার নাম লিখিতে হইবে׀
|
(খ)
হস্তচালিত বা দেশী নৌকার ক্ষেত্রে গলুই-এর পাশে ডালির নীচে অনুরূপভাবে ১০
সেমি (৪ইঞ্চি) সাইজের ইংরাজী হরফে কেবলমাত্র রেজিষ্ট্রশন নম্বর লিখিলেই চলবে׀
|
উভয়
ক্ষেত্রেই রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট নৌকায় রাখা বাধ্যতামূলক׀
|
৪) (ক)
দেশী অথবা যন্ত্রচালিত নৌকার আকার আকৃতিতে অথবা ইঞ্জিনে কোন প্রকার পরিবর্তন
করিতে হইলে তাহা লিখিতভাবে নির্ধারিত ফর্মে
(MFR-7) কাঁথির সহমত্স্য
অধিকর্তা (মেরিন)
⁄ডায়মন্ডহারবারের সহমত্স্য অধিকর্তা (মেরিন)কে জানাইতে হইবে׀
এইরূপক্ষেত্রে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ নৌকার নতুন রেজিষ্ট্রেশন নম্বর প্রদান
করিতে পারেন׀
|
(খ) দেশী
বা যন্ত্রচালিত নৌকার মালিকানা পরিবর্তন হইলে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েই
কর্তৃপক্ষের নিকট যথাক্রমে সরকারে নির্ধারিত ফর্মে
(MFR-5)
ও (MFR-4)
লিখিতভাবে জানাইতে বাধ্য থাকিবেন, এইরূপ ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষ
নৌকার নতুন রেজিষ্ট্রেশন নম্বর প্রদান করিতে পারেন׀
|
(গ) নৌকার
আকার আকৃতি ইঞ্জিন অথবা মালিকানায় কোনরূপ পরিবর্তন না হইলে একবার মাত্র
রেজিষ্ট্রী করিলে নৌকার আর কোনও বছরের জন্য রেজিষ্ট্রেশনের প্রয়োজন হইবে না׀
পশ্চিমবঙ্গের যে কোন মত্স্যবন্দরে ও মত্স্যঘাঁটিতে রেজিষ্ট্রীকৃত নৌকাগুলির
আশ্রয় লইবার এবং প্রাপ্ত সুবিধা গ্রহণের অধিকার থাকিবে׀
|
(ঘ) বিনা
রেজিষ্ট্রেশনে দেশী এবং যন্ত্রচালিত নৌকায় মত্স্য শিকার করা দন্ডনীয় অপরাধ
বলিয়া গণ্য হইবে׀ সকল প্রকার
মত্স্য শিকারে নিয়োজিত নৌকার ক্ষেত্রেই রেজিষ্ট্রেশন করার সময় অথবা মত্স্য
শিকারের লাইসেন্স করার সময় নৌকায় সম্ভাব্য আরোহীদের পূর্ণাঙ্গ বিবরণসহ একটি বিস্তারিত তালিকা
নৌকার মালিক ⁄
মালিকগণ যাহাতে এই সকল আরোহীদের
ব্যক্তিগত পরিচয় পত্র প্রদান করা সম্ভব হয়׀
সম্ভাব্য আরোহীর পরিবর্তন ঘটিলে নতুন আরোহীর বিবরণও জমা দিতে হইবে׀
|

|
মত্স্য শিকারের লাইসেন্স
গ্রহণ সংক্রান্ত নিয়মাবলী
|
১)
পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া
⁄ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বা উপকূল অঞ্চলে খাড়িতে মত্স্য
শিকারে নিযুক্ত সকল দেশী এবং যন্ত্রচালিত নৌকার মালিকগণকে যত শীঘ্র সম্ভব
রেজিষ্ট্রেশন করাইতে হইবে׀
তাসত্বেও তাদের নৌকাগুলির জন্য অবশ্যই প্রতি বত্সর ৩১ মার্চের মধ্যে মত্স্য
শিকারের লাইসেন্স করাইতে হইবে׀ নৌকার মত্স্য শিকারের লাইসেন্স পাইবার
জন্য সরকার নির্ধারিত ফরমে
(MFR-8)
বিনামূল্যে সহ মত্স্য অধিকর্তা (মেরিন), কাঁথি
⁄
ডায়মন্ডহারবার-এর নিকট আবেদন করিতে হইবে׀
|

|
মত্স্য শিকারের জন্য
লাইসেন্স ফী
|
ক) ৩০
হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ৩০ (তিরিশ) টাকা প্রতি বছর׀
|
খ) ৩০
হর্সপাওয়ারের উর্দ্ধে ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা প্রতি বছর׀
|
গ) দেশী
যন্ত্রবিহীন নৌকার জন্য কোন লাইসেন্স ফী লাগিবে না׀
কিন্তু লাইসেন্স অবশ্যই
লইতে হইবে׀
|
২)
যন্ত্রচালিত নৌকাগুলির লাইসেন্স সামুদ্রিক মত্স্য শিকারের জন্য করানো অথবা
নবীকরণের জন্য নৌকার মালিকগণ নিম্নলিখিত নিয়মগুলি মানিয়া চলিলে তবেই লাইসেন্স
পাওয়ার যোগ্য বলিয়া গন্য হইবে׀
|
ক) নৌকার
মালিকগণকে প্রতি বছরের শেষে (৩১শে মার্চ) মাছ ধরার দিন, পরিমান এবং মাছের
বিবরণ সংক্রান্ত বার্ষিক তথ্য এবং অনান্য তথ্যাবলী সহ মত্স্য অধিকর্তা
(মেরিন), / কাঁথি ডায়ামন্ডহারবার-এর নিকট লিখিত ভাবে
নির্ধারিত ফরমে
(MFR-10) চলতি মত্স্য শিকার বছরের শেষে এক মাসের মধ্যে
দাখিল করিতে হইবে׀
|
খ) প্রতি
বছর ৩১শে মার্চের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক ধার্য লাইসেন্স ফী
কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিয়া নৌকার লাইসেন্স নবীকরণ করাইতে হইবে׀
|
৩১শে
মার্চের মধ্যে লাইসেন্স লবীকরণ করাইতে না পারিলে পরবর্তী তিন মাসের বিলম্বিত
কারণে জরিমানা জমা দিয়া লাইসেন্স নবীকরণ করা যাইতে পারে׀
কিন্তু কোন অবস্থাতেই জুন মাসের পর আর লাইসেন্স নবীকরণ করা যাইবেনা׀
|

|
জরিমানার
হার
|
১)
৩০হর্সপাওয়ার পর্যন্ত যন্ত্রচালিত নৌকার জন্য ৩০(তিরিশ) টাকা׀
|
২)
৩০হর্সপাওয়ারের বেশী ক্ষমতা বিশিষ্ট যন্ত্রচালিত নৌকার জন্য ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা׀
|
গ)
যন্ত্রচালিত নৌকার ক্ষেত্রে লাইসেন্স পাইতে হইলে নৌকার বীমা এবং নৌকার মত্স্য
শিকারে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য জীবনবীমা করা বাধ্যতামূলক׀
উপরন্তু নৌকায় মত্স্য শিকারে নিযুক্ত প্রতিটি ব্যক্তির পরিচয়পত্র ও পূর্ণাঙ্গ
তথ্য সহ তালিকা কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হইবে׀
এই সকল ব্যক্তির সচিত্র পরিচয় পত্র থাকা বাধ্যতামূলক׀
মত্স্য শিকারের জন্য নৌকায় কোন ব্যক্তি পরিবর্তন করা হইলে তাহার জন্যও সচিত্র
পরিচয়পত্র ও জীবনবীমা বাধ্যতামূলক׀
নৌকার লাইসেন্স মত্স্য শিকারের সময় নৌকায় সর্বদা রাখিতে হইবে এবং প্রয়োজনে
কর্তৃপক্ষকে তাহা অবশ্যই দেখাইতে হইবে׀
যন্ত্র চালিত নৌকা রেজিষ্ট্রেশন করার সময় নৌকাটির বীমাকরণ করা আবশ্যিক নহে׀
কিন্তু সমুদ্রে মত্স্য শিকারে যাওয়ার সময় অবশ্যই নৌকা সরঞ্জামের বীমা আবশ্যিক׀
|
ঘ) দেশী
নৌকার ক্ষেত্রে লাইসেন্স পাইতে নৌকার জন্য বীমার প্রয়োজন নেই তবে
মত্স্যজীবীগণ, নিজেদের প্রয়োজনে নৌকা
/ জলের বীমা করতে পারেন׀
কিন্তু নৌকার মত্স্যশিকারীগণের প্রত্যেকের জীবন বীমা অত্যাবশ্যক׀
উপরন্তু প্রত্যেক মত্স্যশিকারীর সচিত্র পরিচয়পত্র থাকাও বাধ্যতামূলক׀
|
ঙ) মত্স্য
শিকারের জন্য লাইসেন্স প্রাপ্ত যে নৌকা মত্স্য শিকার ব্যাতিরেকে সমুদ্রে বা
খাড়িতে অন্য কোন বেআইনী কার্যে (কচ্ছপ ধরা চোরা চালান করা, অস্ত্র বহন করা,
যাত্রী বহন করা, জাহাজের রাস্তায় মত্স্য শিকার করা ইত্যাদি) নিযুক্ত থাকিবে,
কর্তৃপক্ষ উক্ত নৌকার লাইসেন্স বাতিল করিতে পারিবেন׀
|
চ) বিনা
রেজিষ্ট্রেশন এবং বিনা লাইসেন্স দেশী এবং যন্ত্রচালিত নৌকা দ্বারা সমুদ্রে বা
খাড়িতে মত্স্য শিকার দন্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গন্য হইবে׀
|
৭) সমুদ্রে
মত্স্যশিকারের নৌকার মত্স্যজীবী ও নৌকা
/ সরঞ্জামের
নিরাপত্তার নির্দেশিকা
|
মত্স্য
শিকারে নিযুক্ত প্রত্যেক দেশী ও যন্ত্রচালিত নৌকায় ট্রানজিস্টার রেড়িও সেট
থাকা বাধ্যতামূলক, এছাড়া সমুদ্রগামী যন্ত্রচালিত নৌকায় নিম্নলিখিত সামগ্রী
বাধ্যতামূলক׀
|
ক) নৌকার
প্রত্যেক আরোহীর জন্য একটি করিয়া লাইফজ্যাকেট (এম.এম.ডি অনুমোদিত)׀
|
খ) প্রতি
নৌকায় দুইটি করিয়া লাইফবয়া׀
|
গ) ইঞ্জিন
ঘরে ফোম টাইপ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র׀
|
ঘ) আগুন
নেভানোর জন্য বালি ভর্ত্তি দুটি বালতি׀
|
ঙ) তল্লাসি
ও উদ্ধার কার্যের জন্য একটি ট্রান্সপন্ডার
(SART)׀
|
চ)
উপকূলরক্ষী বিমান কর্তৃক সনাক্তকরণের জন্য সারেং-এর ঘর এবং তার ছাদ উজ্বল
কমলা অথবা হলুদ রং করা׀
তাহাতে রেজিষ্ট্রেশন
নম্বর কালো কালিতে লেখা থাকিবে׀
|
ছ)
বিপদজ্ঞাপক পতাকা এমন স্থানে রাখার ব্যবস্থা করিতে হইবে যাহাতে সহজেই
উপকূলরক্ষী বাহিনী, ভারতীয় নৌবাহিনী কিংবা অন্য জাহাজের চোখে পড়ে এবং বুঝিতে
পারে যে নৌকাটি বিপন্ন এবং তাহার সাহায্যের প্রয়োজন׀
|
জ) ১৬নং
চ্যানেল যুক্ত একটি বেতার যন্ত্র (ওয়ারলেস সেট) রাখিতে হইবে׀
তাহাতে আরও অতিরিক্ত দুটি চ্যানেল থাকিবে কেন্দ্রীয় বেতার সংস্থার সঙ্গে
যোগাযোগের জন্য׀
|
ঝ) একটি
০.৮ / .৩ কিমি পাল্লাযুক্ত স্থির
কম্পাঙ্কের রেডিও সেট׀
|
ঞ) মত্স্য
শিকার চলাকালীন বিপদের সময় সন্ধ্যা হইতে সকাল পর্যন্ত দুটি গোলাকৃতি লাল আলো
মাস্তুলের উপর লম্বভাবে এক মিটার ব্যবধানে রাখা׀
|
ট) বিপদের
সময় বিপদ সংকেত হিসাবে তিনটি কমলা রং-এর ধোঁয়া উতক্ষেপণের ব্যবস্থা׀
|
ঠ) লাল
আলোযুক্ত রকেট হ্যারো׀
|
ড)
দিকনির্ণয়ের জন্য চৌম্বক কম্পাস এবং বায়ুর চাপ মাপক আনিরয়েড ব্যারোমিটার׀
|
ঢ)
যন্ত্রচালিত নৌকার ইঞ্জিন বিকল হইলে এবং আপদ কালিন ব্যবহারের জন্য পালের
ব্যবস্থা׀
পালের মাস্তুল উজ্বল কমলা রং-এর হওয়া প্রয়োজন যাহাতে আকাশচারী বিমানের চোখে
পড়ে׀
|
ণ) নৌকার
মত্স্য শিকারীদের জন্য পর্যাপ্ত জল ও খাদ্যের সংস্থান ও পোশাক পরিচ্ছদের
ব্যবস্থা׀׀
|
ত) গভীর
সমুদ্রে মত্স্য শিকারে নিযুক্ত প্রতিনৌকায় মালিক প্রতিবার মত্স্য শিকারে
যাত্রার পূর্বে যাবার লগবুকে নৌকার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর, মালিকের নাম ও
মত্স্যশিকারীদের নাম, মত্স্যশিকারের এলাকা, ফিরিবার সম্ভাব্য তারিখ এবং সময়,
ইঞ্জিনের জ্বালানী ও জলের পরিমাণ মন্তব্য ইত্যাদি তথ্য লিখিয়া মত্স্য বন্দর
কিংবা মত্স্য অবতরণ কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট ফিসারমেনস আসোসিয়েশনের নিকট জমা দেবেন׀
|
৮) মত্স্য
শিকার করার এলাকা
|
ক) দেশী
নৌকা এবং ৩০হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতা বিশিষ্ট যন্ত্রচালিত নৌকা উপকূল হইতে
১৫ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত মত্স্য শিকার করিতে পারিবে׀
|
খ)
৩০হর্সপাওয়ারের অধিক ক্ষমতা বিশিষ্ট যন্ত্রচালিত নৌকা উপকূলের ১৫ কিমি বাইরে
মত্স্যশিকার করিতে পারিবে׀
|
৯) মশারি
জাল, সুটিং নেট কিংবা মশারি নেট দ্বারা প্রস্তুতজাল, যাহার দ্বারা উপকূল
/ খাড়ি এলাকায় মোহানা এলাকায় এবং সুন্দরবন এলাকায়
চিংড়ি মাছ এবং অন্যান্য মাছের ডিম পোনা সংগ্রহ করা হয়, এইরূপ জালের ব্যবহার
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী নিষিদ্ধ করা হইয়াছে׀
|
১০)
সামুদ্রিক মত্স্য সম্পদ রক্ষণাবেক্ষন ও সামুদ্রিক মাছের প্রজনন এবং
বিজ্ঞানসম্মত মত্স্য শিকারের উদ্দেশ্যে মার্চ মাস হইতে জুন মাস পর্যন্ত
পশ্চিমবঙ্গে লাগোয়া /
সংলগ্ল বঙ্গোপসাগরে, উপকূল অঞ্চলে এবং খাড়িতে মত্স্যশিকার নিষিদ্ধ করা
হইয়াছে׀
|
 |