অভিনব ডিম ফোটানোর যন্ত্র

যুবক শঙ্কর ভট্টাচার্য  দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুভাষগ্রাম রেল স্টেশনের অনতিদূরে এক ছোট্ট বাড়িতে বাস  ছোটবেলা থেকেই সৃষ্টির প্রতি পৃথক আকর্ষণ  অনুভব করত   সেই থেকেই তৈরি করল এক ডিম ফোটানোর যন্ত্র   মনে হয়েছিল, গ্রাম বাংলায় উন্নত জাতের হাঁস-মুরগির চাহিদা থাকলেও, তা পাওয়া সহজ নয়৷  যাওবা পাওয়া যায় গাড়ি ভাড়া ইত্যাদি দিয়ে গরিব মানুষের কাছে অধরা থেকে যায়যেমনটি হয়েছিল ওর নিজের কাছে৷   তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে ফেলেছিল ডিম ফোটানোর যন্ত্র নিয়ে, যাকে আমরা ইংরাজি পরিভাষায় বলি ইনকুবেটর৷   মাথায় ছিল- দাম কম হতে হবে, ঝামেলাও হতে হবে কম৷   আবার প্রত্যন্ত গ্রামে কাজে লাগানো যাবে৷   হ্যাঁ, সফল হয়েছে শঙ্কর৷    ঠিক তেমনই এক ডিম ফোটানোর যন্ত্র গ্রামের মানুষকে উপহার দিতে পেরেছে সে৷    বিদ্যুত লাগে না সারাদিন পাশে বসে থাকারও প্রয়োজন নেই   হাতি ঘোড়া কেনার মতন দামও নয়৷   যে কোনো বেকার যুবক-যুবতী কিনে ফেলতে পারে৷   প্রতিদিনের খরচ এক থেকে দেড় কেজি ধানের তুষ৷   কথায় বলে তুষের আগুন শঙ্কর সেই তুষের আগুন দিয়ে হাঁস-মুরগির ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরী  করে দিচ্ছে

মেশিনটা একটা ১৬৫ লিটার রেফ্রিজারেটারের আদলে৷   সহজেই এ ঘর থেকে অন্য ঘরে নিয়ে যাওয়া যায়৷   ৬০০ ডিম অনায়াসে ফুটিয়ে দিতে পারে যন্ত্রটি৷   মুরগি হলে সময় নেয় ২১ দিন, হাঁস হলে ২৭ দিন শুধু একটা কাজ করতে হবে, উন্নতজাতের হাঁস-মুরগির ডিমগুলি সংগ্রহ করে নিতে হবে৷   যন্ত্রটির নাম দিয়েছে- কলরব

এই যন্ত্রটি সব থেকে উপযুক্ত সেইসব মহিলাদের ক্ষেত্রে, যাঁরা ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি স্বনির্ভর হতে চান৷   সংসারে আরও খানিক অর্থসুখ আনতে চান

হিসেব কষে দেখা গিয়েছে এই যন্ত্রটা থেকে খুব সহজেই একজন ১৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত মাসে আয় করতে পারেন, এককালীন ২৪০০০ টাকা বিনিয়োগ করে