কৃত্রিম প্রজনন
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
গো-মহিষ উন্নয়ন
ও কৃত্রিম প্রজনন--
|
| |
১৭ তম
প্রাণী-সুমারী অনুযায়ী এ রাজ্যে গবাদি প্রাণীর সংখ্যা ১৯ মিলিয়ন যার মধ্যে ১৬
মিলিয়ন স্বীকৃতি বিহীন গো-প্রজাতি, ২ মিলিয়ন সংকর প্রজাতি ও ১ মিলিয়ন মহিষ।
স্বীকৃতি বিহীন গো-প্রজাতির দুধ উত্পাদন ক্ষমতা ৩০০ দিনে গড়ে ৪০০ লিটার
যেখানে সংকর প্রজাতির দুধ উত্পাদন ক্ষমতা ৩০০ দিনে গড়ে ১৬০০ লিটার।
স্বীকৃতি বিহীন গো-প্রজাতিকে বিদেশী উন্নত প্রজাতির বীজ দিয়ে কৃত্রিম
প্রজননের মাধ্যমে সংকর গরু উত্পাদন করা যায় ও এর ফলে ৪ গুণ বেশী দুধ উত্পাদন
করা যায়।
স্বাভাবিকভাবেই গো-পালন থেকে আয় ৪ গুণ বাড়ানো সম্ভব।
২০০১-২০০২ সাল
থেকে এ রাজ্যে গো-সম্পদ উন্নয়নের দায়িত্ব পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীণ পশ্চিমবঙ্গ
গো-সম্পদ বিকাশ সংস্থার হাতে অর্পণ করা হয়েছে।
এই সংস্থার মাধ্যমে গো-মহিষের কৃত্রিম প্রজননের সংখ্যা বহুলাংশে বাড়ানো
সম্ভব হয়েছে।
২০০১-২০০২ সালে যেখানে কৃত্রিম প্রজননের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ সেখানে ২০০৭-২০০৮
সালে প্রায় ১৮.৫০ লক্ষ।
এর ফলে বছরে গড়ে প্রায় ৫ লক্ষ সংকর বাছুর জন্মেছে যার মাধ্যমে বছরে প্রায়
দেড় থেকে দুই লক্ষ সংকর বকনা বাছুর সৃষ্টি হয়েছে।
ফলে
২০০১-২০০২ সালের ৩৫ লক্ষ দুধ উত্পাদন ২০০৭-২০০৮ সালে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০
লক্ষ মেট্রিক টন।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতে
এই কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা রয়েছে।
|
|
 |
বেসরকারী
কৃত্রিম প্রজনন পরিষেবা - প্রাণী-বন্ধু
|
| |
কৃত্রিম প্রজনন
পরিষেবা গ্রামে প্রাণী-পালকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই পরিষেবা চালু
হয়েছে।
ন্যুনতম অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ বেকার যুবক / যুবতীরা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
নিয়ে নিজ নিজ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্ব-নিযুক্তি প্রকল্পে কাজ করছেন।
পারিশ্রমিকের বিনিময়ে প্রাণী-বন্ধুদের কাছ থেকে যে সব পরিষেবা পেতে পারেন -
|
| |
১) গো-মহিষের
কৃত্রিম প্রজনন
২) প্রাণীর
প্রাথমিক সুশ্রুষা ও টিকা প্রদান
৩) সবুজ
ঘাস চাষ সম্বন্ধে প্রাণী-পালকদের উত্সাহ দেওয়া
৪)
প্রাণী-জাত দ্রব্য সঠিকমূল্যে বাজারজাত করা
৫) এপিক
নামক প্রাণী-খাদ্য ডিলারমূল্যে বিক্রি করা
৬) কিছু
নির্বাচিত প্রাণী-বন্ধুর মাধ্যমে প্রাণীর বীমাকরণ
আপনার গ্রাম
পঞ্চায়েতের প্রাণী-বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করতে হলে ঐ প্রাণী-বন্ধুর মোবাইল বা
ল্যান্ড লাইন-এ যোগাযোগ করতে পারেন।
|
|
 |
এ রাজ্যের গো-মহিষ প্রজনন নীতি
|
১) শুধুমাত্র স্বীকৃতি বিহীন গো-প্রজাতির সাথেই উন্নত দেশীয় জাতের বীজ
দিয়ে প্রজনন করানো যাবে।
২) দেশীয় প্রজাতির মধ্যে শুধুমাত্র শাহিওয়াল ও গির প্রজাতির বীজ দিয়ে
কৃত্রিম প্রজনন করানো যাবে।
৩) জেলাওয়ারী নির্দিষ্টকৃত দেশীয় উন্নত প্রজাতির নাম -
|
|
|
ক্রমিক
সংখ্যা
|
জেলার নাম
|
দেশীয় উন্নত প্রজাতির নাম
|
১
|
কোচবিহার
|
শাহিওয়াল
|
২
|
জলপাইগুড়ি
|
শাহিওয়াল
|
৩
|
দার্জ্জিলিং
|
শাহিওয়াল
|
৪
|
উত্তর দিণাজপুর
|
শাহিওয়াল
|
৫
|
দক্ষিণ দিণাজপুর
|
শাহিওয়াল
|
৬
|
মালদা
|
শাহিওয়াল
|
৭
|
মুর্শিদাবাদ
|
শাহিওয়াল
|
৮
|
নদিয়া
|
শাহিওয়াল
|
৯
|
উত্তর ২৪ পরগণা
|
গির
|
১০
|
দক্ষিণ ২৪ পরগণা
|
গির
|
১১
|
হাওড়া
|
গির
|
১২
|
হুগলী
|
শাহিওয়াল
|
১৩
|
বর্দ্ধমান
|
গির
|
১৪
|
বীরভূম
|
গির
|
১৫
|
পুরুলিয়া
|
গির
|
১৬
|
বাঁকুড়া
|
গির
|
১৭
|
পূর্ব মেদিনীপুর
|
গির
|
১৮
|
পশ্চিম মেদিনীপুর
|
গির
|
|
৪) বিদেশী প্রজাতির মধ্যে শুধুমাত্র জার্সি জাতের বীজ
দিয়েই সংকরায়ন করা যাবে, কিন্তু
কখনোই
৫০ শতাংশের বেশী বিদেশী উত্তরভাগ রাখা হবে না।
৫) রাজ্যের মহিষ উন্নয়নের জন্য মুরা জাতের মহিষের বীজ দিয়ে সংকরায়ন করা
হবে।
|
|
|
|
 |